০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে চাঁচলের আনাজ ভান্ডারের কৃষকরা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার
  • 16

উজির আলী, নতুনগতি,চাঁচলঃ২২ সেপ্টেম্বর

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন রাজ্যের একাধিক কৃষক।
পাশাপাশি তৃণমূলও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জেলায় জেলায়। মঙ্গলবার মালদহের চাঁচল ১ নং ব্লকের মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও হাতে প্লাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান এলাকার শতাধিক কৃষক। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রস কমিটি ও তৃণমুল যুব কংগ্রেস।
এক কৃষক জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, এই বিল কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে আনবে। তাঁদের আশঙ্কা, কৃষিপণ্যের নিয়ন্ত্রণ থাকবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের হাতে। আঘাত পড়বে সাধারণ কৃষকদের ওপর। এমনকী খাদ্যপণ্যের দর সাধারণ মানুষের নাগালে থাকা নিয়েও সংশয় জমছে জেলার বহু সাধারণ মানুষদের মধ্যে।

প্রতিবাদে আনাজ ভান্ডারের কৃষকরা

মতিহারপুর অঞ্চল তৃণমূল কমিটির সভাপতি আফাজুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, চাঁচল মহকুমার মতিহারপুর অঞ্চল আনাজ ভান্ডার নামে পরিচিত।
কৃষকরা উৎপাদিত বেগুন, শসা, লঙ্কা, শাক, ঢেঁড়শ, পেঁপে, কলা, উচ্ছে নিজেদের মতো করে আর বাজারে বিক্রি করতে পারবেন না। বহু কৃষকের শ্লেষ, মমতা ব্যানার্জি কৃষকদের ন্যায্য দর দিতে ফড়ে নির্মূল করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। আর নরেন্দ্র মোদির কৃষি বিলের সৌজন্যে নতুন করে ফড়েরাজ কায়েম হবে।

এদিন সারাদিন হলেও বৃষ্টি হলেও প্রতিবাদ করা হয়েছে এলাকার শতাধিক কৃষকদের নিয়ে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সদস‍্য ওয়াদুজ্জামান ও সাহিদ আক্তার।

সর্বাধিক পাঠিত

পরাজয়ের মুখ থেকে মিশরের বিরুদ্ধে জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে চাঁচলের আনাজ ভান্ডারের কৃষকরা

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

উজির আলী, নতুনগতি,চাঁচলঃ২২ সেপ্টেম্বর

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি বিলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন রাজ্যের একাধিক কৃষক।
পাশাপাশি তৃণমূলও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জেলায় জেলায়। মঙ্গলবার মালদহের চাঁচল ১ নং ব্লকের মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও হাতে প্লাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান এলাকার শতাধিক কৃষক। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রস কমিটি ও তৃণমুল যুব কংগ্রেস।
এক কৃষক জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, এই বিল কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে আনবে। তাঁদের আশঙ্কা, কৃষিপণ্যের নিয়ন্ত্রণ থাকবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের হাতে। আঘাত পড়বে সাধারণ কৃষকদের ওপর। এমনকী খাদ্যপণ্যের দর সাধারণ মানুষের নাগালে থাকা নিয়েও সংশয় জমছে জেলার বহু সাধারণ মানুষদের মধ্যে।

প্রতিবাদে আনাজ ভান্ডারের কৃষকরা

মতিহারপুর অঞ্চল তৃণমূল কমিটির সভাপতি আফাজুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, চাঁচল মহকুমার মতিহারপুর অঞ্চল আনাজ ভান্ডার নামে পরিচিত।
কৃষকরা উৎপাদিত বেগুন, শসা, লঙ্কা, শাক, ঢেঁড়শ, পেঁপে, কলা, উচ্ছে নিজেদের মতো করে আর বাজারে বিক্রি করতে পারবেন না। বহু কৃষকের শ্লেষ, মমতা ব্যানার্জি কৃষকদের ন্যায্য দর দিতে ফড়ে নির্মূল করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। আর নরেন্দ্র মোদির কৃষি বিলের সৌজন্যে নতুন করে ফড়েরাজ কায়েম হবে।

এদিন সারাদিন হলেও বৃষ্টি হলেও প্রতিবাদ করা হয়েছে এলাকার শতাধিক কৃষকদের নিয়ে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সদস‍্য ওয়াদুজ্জামান ও সাহিদ আক্তার।