০৩ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
০৩ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হাওড়া স্টেশনে জঙ্গি হামলার ছক! বন্দে ভারতে হাইভোল্টেজ মহড়া এনএসজির

হাওড়া: হাওড়া স্টেশনে সন্ত্রাসবাদী হামলার কাল্পনিক পরিস্থিতি তৈরি করে উচ্চপর্যায়ের সন্ত্রাস দমন মহড়া চালাল জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী (এনএসজি)। মহড়ায় সিমুলেট করা হয়, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ভিতরে জঙ্গি হামলার হুমকি তৈরি হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত অভিযান চালানো হবে, যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের মোকাবিলা করা হবে—মহড়ার মাধ্যমে তারই অনুশীলন করা হয়।
এনএসজির সঙ্গে সমন্বয়ে মহড়ায় অংশ নেয় রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ), পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), রাজ্য পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। সংকটের মুহূর্তে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবা সংস্থার মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ, সমন্বয় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করাই ছিল মহড়ার অন্যতম লক্ষ্য।
রেলস্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় সন্ত্রাসবাদী হামলা বা বড়সড় নিরাপত্তা সঙ্কট দেখা দিলে কীভাবে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তা-ও খতিয়ে দেখা হয়।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে হাওড়া স্টেশনের কাছে একটি ফুটেজে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ক্যাব রোডের কাছে কিছু ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই সেখানে আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে আরপিএফ-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা সতর্কতার প্রেক্ষিতে রেল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই মহড়া বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে পাচারের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, ৪ গরু-সহ গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়া স্টেশনে জঙ্গি হামলার ছক! বন্দে ভারতে হাইভোল্টেজ মহড়া এনএসজির

আপডেট : ২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
হাওড়া: হাওড়া স্টেশনে সন্ত্রাসবাদী হামলার কাল্পনিক পরিস্থিতি তৈরি করে উচ্চপর্যায়ের সন্ত্রাস দমন মহড়া চালাল জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী (এনএসজি)। মহড়ায় সিমুলেট করা হয়, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ভিতরে জঙ্গি হামলার হুমকি তৈরি হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত অভিযান চালানো হবে, যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের মোকাবিলা করা হবে—মহড়ার মাধ্যমে তারই অনুশীলন করা হয়।
এনএসজির সঙ্গে সমন্বয়ে মহড়ায় অংশ নেয় রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ), পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), রাজ্য পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। সংকটের মুহূর্তে বিভিন্ন নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবা সংস্থার মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ, সমন্বয় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করাই ছিল মহড়ার অন্যতম লক্ষ্য।
রেলস্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় সন্ত্রাসবাদী হামলা বা বড়সড় নিরাপত্তা সঙ্কট দেখা দিলে কীভাবে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তা-ও খতিয়ে দেখা হয়।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে হাওড়া স্টেশনের কাছে একটি ফুটেজে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে ক্যাব রোডের কাছে কিছু ছুড়তে দেখা যায়। এরপরই সেখানে আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে আরপিএফ-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা সতর্কতার প্রেক্ষিতে রেল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই মহড়া বলে মনে করা হচ্ছে।