২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সিতাইয়ে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির বাড়ি ঘেরাও বাংলা আবাস যোজনায় কাটমানি ফেরতের দাবি

দেবজিৎ মুখার্জি, কোচবিহার: সোমবার সিতাই বিধানসভার ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি হলধর বর্মনের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার গ্রামবাসীরা বাংলা আবাস যোজনায় জোরপূর্বক আদায় করা কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে। এদিন দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ৪ঠা মে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকেই তৃণমূলের অনেক নেতা বেকায়দায় পড়েছেন। অভিযোগ, এর আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বাংলা আবাস যোজনার নাম করে কিছুদিন আগে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জোর করে দশ থেকে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি তোলা হয়। অভিযোগ, হলধর বর্মন ও তার স্ত্রী কণিকা বর্মন, যিনি নিজে পঞ্চায়েত সদস্যা, দুজনে মিলে কাটমানি নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন। তাঁরা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকেই হলধর বর্মন ও কণিকা বর্মনের দেখা মেলেনি। তাঁদের পরিবারের কাছেও তাঁরা কোথায় আছেন, তার কোনও সদুত্তর পাননি স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার দুপুরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন এবং বাড়ি ঘেরাও করে রাখেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও রাখার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর সকলে আলাদা করে সিতাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রশাসনের কাছ থেকেও এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সর্বাধিক পাঠিত

জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শতভাগ বাস্তবায়নে বীরভূমের খয়রাশোলে মেগা পর্যালোচনা বৈঠকে বিধায়ক সহ আধিকারিকেরা –

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিতাইয়ে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির বাড়ি ঘেরাও বাংলা আবাস যোজনায় কাটমানি ফেরতের দাবি

আপডেট : ২০ মে ২০২৬, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কোচবিহার: সোমবার সিতাই বিধানসভার ব্রহ্মত্তর চাত্রা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি হলধর বর্মনের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার গ্রামবাসীরা বাংলা আবাস যোজনায় জোরপূর্বক আদায় করা কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে। এদিন দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ৪ঠা মে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকেই তৃণমূলের অনেক নেতা বেকায়দায় পড়েছেন। অভিযোগ, এর আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বাংলা আবাস যোজনার নাম করে কিছুদিন আগে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জোর করে দশ থেকে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি তোলা হয়। অভিযোগ, হলধর বর্মন ও তার স্ত্রী কণিকা বর্মন, যিনি নিজে পঞ্চায়েত সদস্যা, দুজনে মিলে কাটমানি নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন। তাঁরা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকেই হলধর বর্মন ও কণিকা বর্মনের দেখা মেলেনি। তাঁদের পরিবারের কাছেও তাঁরা কোথায় আছেন, তার কোনও সদুত্তর পাননি স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার দুপুরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন এবং বাড়ি ঘেরাও করে রাখেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও রাখার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর সকলে আলাদা করে সিতাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রশাসনের কাছ থেকেও এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।