নূর আহমেদ,মেমারি: মেধার স্বীকৃতি ও ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো মেমারির চকদিঘি মোড় সংলগ্ন কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে। গোলাম আহমেদ মোর্তজা ট্যালেন্ট সার্চের উদ্যোগে আয়োজিত মেধা অন্বেষণ পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি ঘিরে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
এদিন পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের মোট ১০টি জেলার মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী মোট ১৫০ জন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীর হাতে বিশেষ পুরস্কার ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরে ট্রাস্টের সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইয়াসিন তাঁর বক্তব্যে বলেন—
”আমাদের এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের ভেতরের সুপ্ত মেধা ও প্রতিভাকে খুঁজে বের করা। আজকের যুগে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা চাই ছাত্র-ছাত্রীরা শুধু সাধারণ পড়াশোনাই নয়, বরং এই ধরণের ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের মান যাচাই করুক এবং আগামী দিনে সরকারি ও বেসরকারি স্তরের বড় বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত হোক।”
তিনি আরও জানান, এই ট্রাস্টের উদ্দেশ্য কেবল পুরস্কার দেওয়া নয়, বরং ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যেতে মানসিক ও সামাজিক সহযোগিতা করা।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে পরিচালনা করেন ট্রাস্টের সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইয়াসিন নিজে। কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির (শাখা ২)-এর প্রধান শিক্ষক সুব্রত মুখার্জি।
এছাড়াও উপস্থিত থেকে কৃতিদের উৎসাহিত করেন বিশিষ্ট শিক্ষক ধর্মদাস সরকার, নীলকন্ঠ কর্মকার এবং ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য শেখ আব্দুল আজিজ প্রমূখ। এদিনের এই বিশেষ সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ সিরাজুল ইসলাম।
কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের এই সাফল্যে আনন্দিত অভিভাবকরাও। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে এই মেধা অন্বেষণ পরীক্ষার পরিধি আরও বাড়ানো হবে যাতে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী এর সুফল পেতে পারে।
নতুন গতি 











