১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মামূন ন্যাশনালের ধারাবাহিক সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকেও

রফিকউদ্দিন মণ্ডল : সাফল্যের ধারাবাহিকতা বিগত কুড়ি বছর থেকে ধরে রেখেছে মামূন ন্যাশনাল স্কুল। এবারের উচ্চমাধ্যমিকেও সেই রকম উজ্জ্বল রেজাল্ট স্কুলের বালক ও বালিকারা করেছে। এবছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৭৪ জন। ৯৫ % এর উপরে নাম্বার পেয়েছে দুজন। ৯০% বা তার বেশি পেয়েছে ২০ জন। ৮৫% বা তার বেশি নম্বর পেয়েছে ৬৮ জন। ৮০% বা তার বেশি নম্বর পেয়েছে ১২৫ জন। স্টার মার্কস বা ৭৫% নম্বর পেয়েছে ১৫৩ জন। বলাবাহুল্য যে, সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী ৬৫% বা তার বেশি নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মুস্তাক আহমেদ মন্ডল। ৬ লক্ষের ও বেশি পরীক্ষার্থী মধ্যে রাজ্যে তার স্থান ১৭ তম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮০(৯৬%)। মুর্শিদাবাদের নওদার ত্রিমোহিনীতে তার বাড়ি। জি.ডি. স্কলারশিপ নিয়ে সে এখান থেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৯৬.৩ শতাংশ নম্বর পেয়েছিল। বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আকসারুল ইপতিকার। সে ৯৫.৪০% অর্থাৎ ৪৭৭ নম্বর পেয়েছে। রাজ্যে তার স্থান ২০ তম। সে দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের ঢোলহাটের ছেলে। পিতা চাষাবাদ করেন। তার পড়াশোনার খরচ অনেকটাই দিয়েছেন জি.ডি. চ্যারিটেবিল সোসাইটি।
বালিকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে আরিফা খাতুন। সে ৪৬৬ অর্থাৎ ৯৩.২০% নম্বর পেয়েছে। বীরভূমের নলহাটির কলিঠা গ্রামে তার বাড়ি। সেও জি.ডি. স্কলারশিপের সহায়তা নিয়ে এখানে পড়েছে। মাধ্যমিকে ৮৫% নম্বর নিয়ে সে এখানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল।
বীরভূম জেলার আর এক ছাত্রী (৯২.২%)৪৬১ নম্বর পেয়েছে। তার পিতা বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষক, তাই পড়াশোনার খরচ বিদ্যালয়ের জি.ডি. স্কলারশিপ ফান্ড থেকেই করা হয়েছে।
মামূন ন্যাশনাল স্কুলের বালক ও বালিকা শাখা তথা ইংলিশ মিডিয়াম শাখার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম গোলাম আহমাদ মোর্তজা। বোর্ড অব ট্রাস্টীজের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও প্রখ্যাত সমাজসেবী আলহাজ মোস্তাক হোসেন সাহেব সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের সুনাগরিক হয়ে দেশের সেবা করবে এই আশা তিনি ব্যক্ত করেছেন।

মধুচন্দ্রিমার রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বেশি ভিড় দেখে ক্ষেপে গিয়ে ডিভোর্স চাইলো নববধূ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মামূন ন্যাশনালের ধারাবাহিক সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকেও

আপডেট : ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার

রফিকউদ্দিন মণ্ডল : সাফল্যের ধারাবাহিকতা বিগত কুড়ি বছর থেকে ধরে রেখেছে মামূন ন্যাশনাল স্কুল। এবারের উচ্চমাধ্যমিকেও সেই রকম উজ্জ্বল রেজাল্ট স্কুলের বালক ও বালিকারা করেছে। এবছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৭৪ জন। ৯৫ % এর উপরে নাম্বার পেয়েছে দুজন। ৯০% বা তার বেশি পেয়েছে ২০ জন। ৮৫% বা তার বেশি নম্বর পেয়েছে ৬৮ জন। ৮০% বা তার বেশি নম্বর পেয়েছে ১২৫ জন। স্টার মার্কস বা ৭৫% নম্বর পেয়েছে ১৫৩ জন। বলাবাহুল্য যে, সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী ৬৫% বা তার বেশি নম্বর নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মুস্তাক আহমেদ মন্ডল। ৬ লক্ষের ও বেশি পরীক্ষার্থী মধ্যে রাজ্যে তার স্থান ১৭ তম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮০(৯৬%)। মুর্শিদাবাদের নওদার ত্রিমোহিনীতে তার বাড়ি। জি.ডি. স্কলারশিপ নিয়ে সে এখান থেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৯৬.৩ শতাংশ নম্বর পেয়েছিল। বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আকসারুল ইপতিকার। সে ৯৫.৪০% অর্থাৎ ৪৭৭ নম্বর পেয়েছে। রাজ্যে তার স্থান ২০ তম। সে দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের ঢোলহাটের ছেলে। পিতা চাষাবাদ করেন। তার পড়াশোনার খরচ অনেকটাই দিয়েছেন জি.ডি. চ্যারিটেবিল সোসাইটি।
বালিকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে আরিফা খাতুন। সে ৪৬৬ অর্থাৎ ৯৩.২০% নম্বর পেয়েছে। বীরভূমের নলহাটির কলিঠা গ্রামে তার বাড়ি। সেও জি.ডি. স্কলারশিপের সহায়তা নিয়ে এখানে পড়েছে। মাধ্যমিকে ৮৫% নম্বর নিয়ে সে এখানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল।
বীরভূম জেলার আর এক ছাত্রী (৯২.২%)৪৬১ নম্বর পেয়েছে। তার পিতা বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষক, তাই পড়াশোনার খরচ বিদ্যালয়ের জি.ডি. স্কলারশিপ ফান্ড থেকেই করা হয়েছে।
মামূন ন্যাশনাল স্কুলের বালক ও বালিকা শাখা তথা ইংলিশ মিডিয়াম শাখার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম গোলাম আহমাদ মোর্তজা। বোর্ড অব ট্রাস্টীজের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি ও প্রখ্যাত সমাজসেবী আলহাজ মোস্তাক হোসেন সাহেব সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের সুনাগরিক হয়ে দেশের সেবা করবে এই আশা তিনি ব্যক্ত করেছেন।