১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

“মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম”: মদন মিত্র

আনজুম মুনির: শনিবার রাতে উত্তেজিত জানতার হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। বাস্তবে মদন মিত্র একজন বহুবলি বিধায়ক। উন্মত্ত জনতাকে দেখে তিনি ভীষণ ভয় পেয়ে যান। গাড়িতে মদন মিত্র ছিলেন না বলে ফেসবুক লাইভ করে তিনি নিজেই জানিয়েছেন। ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর দিকে আঙুল তুলেছেন মদন। আনোয়ার খান নামে ওই বিজেপি কর্মী আগে তৃণমূল করতেন, এমনটাই দাবি তাঁর। ফেসবুক লাইভে এসে তাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনেছেন মদন।

তাঁর সাফ কথা, “কামারহাটির সবথেকে বড় খুনি আনোয়ার আগে আমাদের সঙ্গেও মিশতো। কিন্তু ও যখন যেমন তখন তেমনই হয়ে যেত।” সোজা কথায় একদা তৃণমূলই মদনকে আজ প্রাণে মারার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করছেন। মদনের দাবি, তারা আজ বিজেপি হয়েছে। ফেসবুক লাইভেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তিনি। গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ করছেন। তবে প্রমাণ নেই,সেটাও বলছেন। সিসিটিভি প্রকাশ্যে এনে কারা এই কান্ড ঘটিয়েছে প্রমান করবেন বলেও বলেছেন কামারহাটির বিধায়ক।

ফেসবুক লাইভে মদনকে একরাশ উদ্বেগের সঙ্গেই বলতে দেখা গেল, “আমি দক্ষিণেশ্বরে ব্লক ওয়ার্ড অফিসে যাব বলে বেরিয়েছিলাম। তখনই এই ঘটনা ঘটে। মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম। কিন্তু রাখে হরি তো মারে কে! অনেক ভালো কাজের জন্য, বহু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মৃত্যুকে আমি চোখের সামনে দেখেও আবার আপনাদের কাছে ফিরে আসতে পারলাম।” এমনকি ওই লাইভেই দক্ষিণেশ্বরে তাঁর দলের এক কাউন্সিলরের বাড়ি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রাখে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। সেখানে নাকি জয় শ্রী রাম স্লোগানও ওঠে। ফেসবুক লাইভেই ডিজি, ব্যারাকপুরের সিপি-র দৃষ্টি আকর্ষণও করেন।

ভাঙড় রত্ন সম্মাননা পেলেন শিক্ষক-সাহিত্যিক মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম”: মদন মিত্র

আপডেট : ৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির: শনিবার রাতে উত্তেজিত জানতার হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। বাস্তবে মদন মিত্র একজন বহুবলি বিধায়ক। উন্মত্ত জনতাকে দেখে তিনি ভীষণ ভয় পেয়ে যান। গাড়িতে মদন মিত্র ছিলেন না বলে ফেসবুক লাইভ করে তিনি নিজেই জানিয়েছেন। ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর দিকে আঙুল তুলেছেন মদন। আনোয়ার খান নামে ওই বিজেপি কর্মী আগে তৃণমূল করতেন, এমনটাই দাবি তাঁর। ফেসবুক লাইভে এসে তাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনেছেন মদন।

তাঁর সাফ কথা, “কামারহাটির সবথেকে বড় খুনি আনোয়ার আগে আমাদের সঙ্গেও মিশতো। কিন্তু ও যখন যেমন তখন তেমনই হয়ে যেত।” সোজা কথায় একদা তৃণমূলই মদনকে আজ প্রাণে মারার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করছেন। মদনের দাবি, তারা আজ বিজেপি হয়েছে। ফেসবুক লাইভেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তিনি। গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ করছেন। তবে প্রমাণ নেই,সেটাও বলছেন। সিসিটিভি প্রকাশ্যে এনে কারা এই কান্ড ঘটিয়েছে প্রমান করবেন বলেও বলেছেন কামারহাটির বিধায়ক।

ফেসবুক লাইভে মদনকে একরাশ উদ্বেগের সঙ্গেই বলতে দেখা গেল, “আমি দক্ষিণেশ্বরে ব্লক ওয়ার্ড অফিসে যাব বলে বেরিয়েছিলাম। তখনই এই ঘটনা ঘটে। মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম। কিন্তু রাখে হরি তো মারে কে! অনেক ভালো কাজের জন্য, বহু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মৃত্যুকে আমি চোখের সামনে দেখেও আবার আপনাদের কাছে ফিরে আসতে পারলাম।” এমনকি ওই লাইভেই দক্ষিণেশ্বরে তাঁর দলের এক কাউন্সিলরের বাড়ি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রাখে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। সেখানে নাকি জয় শ্রী রাম স্লোগানও ওঠে। ফেসবুক লাইভেই ডিজি, ব্যারাকপুরের সিপি-র দৃষ্টি আকর্ষণও করেন।