১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

খয়রাশোলে ১২৫ দিনের কাজের মাঝেই বেজে উঠল ভাদু গানের সুর

খান আরশাদ, নতুন গতি: ভাদ্র মাস মানেই বাংলার ঘরে ঘরে ভাদু পুজো আর ভাদু গানের রেশ। সেই লোকঐতিহ্যকেই কর্মক্ষেত্রে বাঁচিয়ে রাখল বীরভূমের খয়রাশোল। ভাদ্র মাসজুড়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ভাদু গান পরিবেশনের রীতি রয়েছে। গ্রামীণ বাংলার মানুষের জীবনযাত্রা, আবেগ, আনন্দ-বেদনা ও সামাজিক বার্তা এই গানের মাধ্যমে ফুটে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভাদু গানের কথায় উঠে আসে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সচেতনতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ও।  শনিবার খয়রাশোল ব্লকের নওপাড়া গ্রামে রাজ্য সরকারের ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজের সাইটেই বসলো মনোজ্ঞ ভাদু গানের আসর। লোকশিল্পীদের কণ্ঠে ফুটে উঠল গ্রামবাংলার শ্রমিকদের সুখ-দুঃখ, সামাজিক সচেতনতা এবং ১২৫ দিনের কর্ম-জীবনের গল্প। ভাদু গান পরিবেশন করেন শিল্পী অবধুত ডোম, মাধব ডোম, কৃষ্ণ ডোম, শান্তি ডোম, ভুটুক ডোম ও বায়েন গণেশ ডোম সহ অন্যান্যরা। তাঁদের গানে কাজের স্থানেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় চন্দন বাউরী, সেখ নেয়াম, মদন ডোম, মিন্টু ডোম সহ গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সাংস্কৃতিক মনোভাবাপন্ন মানুষদের মতে, এভাবেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক বাংলার লোকসংস্কৃতি।

ফের উত্তপ্ত বীরভূমের পাঁড়ুই এলাকায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খয়রাশোলে ১২৫ দিনের কাজের মাঝেই বেজে উঠল ভাদু গানের সুর

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
খান আরশাদ, নতুন গতি: ভাদ্র মাস মানেই বাংলার ঘরে ঘরে ভাদু পুজো আর ভাদু গানের রেশ। সেই লোকঐতিহ্যকেই কর্মক্ষেত্রে বাঁচিয়ে রাখল বীরভূমের খয়রাশোল। ভাদ্র মাসজুড়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ভাদু গান পরিবেশনের রীতি রয়েছে। গ্রামীণ বাংলার মানুষের জীবনযাত্রা, আবেগ, আনন্দ-বেদনা ও সামাজিক বার্তা এই গানের মাধ্যমে ফুটে ওঠে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভাদু গানের কথায় উঠে আসে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সচেতনতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ও।  শনিবার খয়রাশোল ব্লকের নওপাড়া গ্রামে রাজ্য সরকারের ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজের সাইটেই বসলো মনোজ্ঞ ভাদু গানের আসর। লোকশিল্পীদের কণ্ঠে ফুটে উঠল গ্রামবাংলার শ্রমিকদের সুখ-দুঃখ, সামাজিক সচেতনতা এবং ১২৫ দিনের কর্ম-জীবনের গল্প। ভাদু গান পরিবেশন করেন শিল্পী অবধুত ডোম, মাধব ডোম, কৃষ্ণ ডোম, শান্তি ডোম, ভুটুক ডোম ও বায়েন গণেশ ডোম সহ অন্যান্যরা। তাঁদের গানে কাজের স্থানেই তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় চন্দন বাউরী, সেখ নেয়াম, মদন ডোম, মিন্টু ডোম সহ গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সাংস্কৃতিক মনোভাবাপন্ন মানুষদের মতে, এভাবেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক বাংলার লোকসংস্কৃতি।