০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
০৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ভারতীয় ফুটবলে শোকের ছায়া , মারা গেলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবল কোচ সৈয়দ শহিদ হাকিম

নতুন গতি, ওয়েব ডেস্ক : রবির সকালেই ভারতীয় ফুটবলে নেমে এল শোকের ছায়া। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবল কোচ সৈয়দ শহিদ হাকিম (Syed Shahid Hakim)। এদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে কর্ণাটকের গুলবর্গা শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে এসএস হাকিমের বয়স হয়েছিল ৮২। রেখে গেলেন স্ত্রী ও দুই কন্যাকে।

 

ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে হাকিমের দীর্ঘ পাঁচ দশকের সম্পর্ক। দ্রোণাচার্য জয়ী কোচ ১৯৮২ সালে দিল্লিতে এশিয়ান গেমসে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহকারী কোচ ছিলেন। মারডেকাতে একটি টুর্নামেন্টে স্বাধীন ভাবে ভারতীয় দলের দায়িত্বও সামলেছেন হাকিম। মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রাকে (অধুনা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড) ১৯৮৮ সালে ডুরান্ড জেতান হাকিম। ভয়ঙ্কর ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েই খেতাব জিতেছিল তাঁর দল। সালগাঁওকার ও মুম্বই এফসি-র কোচ হিসেবেও দায়িত্ব সামলান হাকিম। ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবেও হাকিম এশিয়ান ক্লাব কাপে রেফারিং করিয়েছেন। জেতেন ধ্যান চাঁদ পুরস্কার।

 

 

ভারতীয় বায়ু সেনার প্রাক্তন স্কোয়াড্রন লিডারও ছিলেন হাকিম। ২০১৭ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের সময় হাকিম ফুটবলার তুলে আনায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে পাওয়া গিয়েছিল সাইয়ের আঞ্চলিক ডিরেক্টরকে। ১৯৬০ রোম অলিম্পিক্সে ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন হাকিম। যদিও খেলার সুযোগ পাননি এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার। ঘটনাচক্র ওই দলের কোচ ছিলেন হাকিমের বাবা ও কিংবদন্তি ফুটবল কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিম।

সর্বাধিক পাঠিত

পরাজয়ের মুখ থেকে মিশরের বিরুদ্ধে জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভারতীয় ফুটবলে শোকের ছায়া , মারা গেলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবল কোচ সৈয়দ শহিদ হাকিম

আপডেট : ২২ অগাস্ট ২০২১, রবিবার

নতুন গতি, ওয়েব ডেস্ক : রবির সকালেই ভারতীয় ফুটবলে নেমে এল শোকের ছায়া। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার ও জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবল কোচ সৈয়দ শহিদ হাকিম (Syed Shahid Hakim)। এদিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে কর্ণাটকের গুলবর্গা শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে এসএস হাকিমের বয়স হয়েছিল ৮২। রেখে গেলেন স্ত্রী ও দুই কন্যাকে।

 

ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে হাকিমের দীর্ঘ পাঁচ দশকের সম্পর্ক। দ্রোণাচার্য জয়ী কোচ ১৯৮২ সালে দিল্লিতে এশিয়ান গেমসে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহকারী কোচ ছিলেন। মারডেকাতে একটি টুর্নামেন্টে স্বাধীন ভাবে ভারতীয় দলের দায়িত্বও সামলেছেন হাকিম। মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রাকে (অধুনা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড) ১৯৮৮ সালে ডুরান্ড জেতান হাকিম। ভয়ঙ্কর ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েই খেতাব জিতেছিল তাঁর দল। সালগাঁওকার ও মুম্বই এফসি-র কোচ হিসেবেও দায়িত্ব সামলান হাকিম। ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবেও হাকিম এশিয়ান ক্লাব কাপে রেফারিং করিয়েছেন। জেতেন ধ্যান চাঁদ পুরস্কার।

 

 

ভারতীয় বায়ু সেনার প্রাক্তন স্কোয়াড্রন লিডারও ছিলেন হাকিম। ২০১৭ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের সময় হাকিম ফুটবলার তুলে আনায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে পাওয়া গিয়েছিল সাইয়ের আঞ্চলিক ডিরেক্টরকে। ১৯৬০ রোম অলিম্পিক্সে ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন হাকিম। যদিও খেলার সুযোগ পাননি এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার। ঘটনাচক্র ওই দলের কোচ ছিলেন হাকিমের বাবা ও কিংবদন্তি ফুটবল কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিম।