১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

শীত পড়তে না পড়তে পরিযায়ী পাখির ভীড় জমছে সুন্দরবনে

হাসান লস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কুলতলী রায়দিঘি ঝড়খালি সাগর পাথরপ্রতিমা বাসন্তী গোসাবা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি হিঙ্গলগঞ্জ মিনাখাঁ হাড়োয়া সহ সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মাছের ভেড়ি কিম্বা নদী সংলগ্ন একাধিক জলাশয়ে খাবারের সন্ধানে আসছে লক্ষাধিক পাখি। শীত পড়তেই না পড়তে দলে দলে ভিড় জমাচ্ছে পরিযায়ী পাখিরা। ঝাঁকে ঝাঁকে এই সমস্ত পাখি দেখা মেলায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে সুন্দরবনে। মদন টাক, স্যাংকুল, হাঁসপাখি, সাদা বক, কুনো বক, কাকপাখি, ডুবুরি, মাছরাঙা, বাটাং, পানিকৌড়ি, বেকচো, ধাড়িবক, কাঁকবক, সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা এই সকল মেছোভেড়ি সহ বিভিন্ন জলাশয়ে শীত পড়তেই তারা ভিড় জমায়। খাবারের সন্ধানেই তাঁরা সুদূর সাইবেরিয়া সহ, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ,নেপাল, ভুটান, এবং মায়ানমার থেকেও, সুন্দরবনে ভিড় জমাচ্ছে। সুন্দরবন প্রেমিকদের কথায় পরিযায়ী পাখিরা আসলে কারিনা ভালো লাগে।

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই সমস্ত জীবকুলের অনেকটাই ভূমিকা রয়েছে।সুন্দরবনবাসীরা মেছো ভেড়ি সহ যে সকল জলাশয় গুলি রয়েছে, সেখানে মৎস্য চাষের সময় বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করার কারণে একেবারে বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে এই সকল পরিযায়ী পাখির সংখ্যা

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শীত পড়তে না পড়তে পরিযায়ী পাখির ভীড় জমছে সুন্দরবনে

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৩, বুধবার

হাসান লস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কুলতলী রায়দিঘি ঝড়খালি সাগর পাথরপ্রতিমা বাসন্তী গোসাবা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি হিঙ্গলগঞ্জ মিনাখাঁ হাড়োয়া সহ সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মাছের ভেড়ি কিম্বা নদী সংলগ্ন একাধিক জলাশয়ে খাবারের সন্ধানে আসছে লক্ষাধিক পাখি। শীত পড়তেই না পড়তে দলে দলে ভিড় জমাচ্ছে পরিযায়ী পাখিরা। ঝাঁকে ঝাঁকে এই সমস্ত পাখি দেখা মেলায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে সুন্দরবনে। মদন টাক, স্যাংকুল, হাঁসপাখি, সাদা বক, কুনো বক, কাকপাখি, ডুবুরি, মাছরাঙা, বাটাং, পানিকৌড়ি, বেকচো, ধাড়িবক, কাঁকবক, সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা এই সকল মেছোভেড়ি সহ বিভিন্ন জলাশয়ে শীত পড়তেই তারা ভিড় জমায়। খাবারের সন্ধানেই তাঁরা সুদূর সাইবেরিয়া সহ, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ,নেপাল, ভুটান, এবং মায়ানমার থেকেও, সুন্দরবনে ভিড় জমাচ্ছে। সুন্দরবন প্রেমিকদের কথায় পরিযায়ী পাখিরা আসলে কারিনা ভালো লাগে।

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই সমস্ত জীবকুলের অনেকটাই ভূমিকা রয়েছে।সুন্দরবনবাসীরা মেছো ভেড়ি সহ যে সকল জলাশয় গুলি রয়েছে, সেখানে মৎস্য চাষের সময় বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করার কারণে একেবারে বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে এই সকল পরিযায়ী পাখির সংখ্যা