দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এতো ত্রাণ সামগ্রী নিজের বাড়িতে লুকিয়ে রাখা মানে যার প্রয়োজন তার কাছে পৌঁছালো না। এভাবেই কেটে গেলো ১৫ বছর। আর যখন ধরা পরা শুরু হয়েছে তখন একের পর এক। পালাবদলের পর তৃণমূল নেতাদের পার্টি অফিস কিংবা বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে এইসব। যার জেরে কোথাও মার খাচ্ছেন তাঁরা, কোথাও ছোড়া হচ্ছে ডিম।

এই আবহের মধ্যে ভিন্ন ছবি। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার আগেভাগেই তাঁর বাড়ি থেকে বের করে দিলেন মজুত থাকা সামগ্রী। এদিন, তাঁর বাড়ি থেকে বের হল লুঙ্গি, কম্বল,শাড়ি ইত্যাদি-ইত্যাদি। মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্তা থেকে পুলিশ পৌঁছয় দেবব্রত মজুমদারের বাড়িতে। তল্লাশি চালাতে শুরু করেন তাঁরা। তখনই দেবব্রতর বাড়ি থেকে বের হয়-২০০ পিস ধুতি, ৩০০ পিস হ্যান্ডলুম শাড়ি, লুঙ্গি ১০০ পিস, কম্বল ৩০০টা, কূর্তি-লেগিংস ১০০, পাজামা-পাঞ্জাবি ৭৫ সেট, তারপুলিন ৫০০। প্রাক্তন বিধায়ক নিজেই জানিয়েছিলেন এসব সামগ্রী তাঁর বাড়িতে রয়েছে।
তিনি বলেন, “এটা আমি দিয়ে দিলাম। যতক্ষণ আমি বিধায়ক ছিলাম ততক্ষণ ছিল। এখন নেই। তাই এটা ফেরত দেওয়া আমার দায়িত্ব। আর বিধায়কদের তো সরকারি কোনও কার্যালয় হয় না। বাড়িতেই রেখেছিলাম। তারপুলিন বর্ষাকালে দেওয়ার কথা। ১৫ মার্চ দিয়েছিল, আর তারপর নির্বাচন। সেই কারণে দিইনি নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করা হবে বলবে। এখন যেহেতু আমি বিধায়ক নই সেই কারণে আমি ফেরত দিয়ে দিলাম। আমি জানিয়ে দিয়েছি।
নতুন গতি 
























