১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩

২ বছরের সৃজনের বিস্ময় প্রতিভা দেখে অবাক নাগরিক মহল

নিউজ ডেস্ক: সবেমাত্র আধো-আধো কথা বলা শুরু করেছে। বয়স ২ বছর ৮ মাস। আর এই অল্প বয়সেই তার অসাধারণ স্মৃতিশক্তি আর মেধার যে পরিচয় দিচ্ছে পশ্চিম বর্ধমানের সৃজন কুণ্ডু, তা দেখে তাজ্জব সকলে! স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম থেকে দেবদেবীর বাহন আর মন্ত্র, পশুপাখি থেকে সবজি-ফল, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাম – কী না বলতে পারে সে? আর এহেন ‘বিস্ময় প্রতিভা’কে খুঁজে বের করে স্বীকৃতি দিল ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’। ২০২৬ সালে তাদের রেকর্ডে নাম উঠেছে খুদে সৃজনের। জেলার পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সৃজন কুণ্ডু। বয়স তিন বছর পেরনোর আগেই সে সহজে চিহ্নিত করতে পারে ৬টি পোকামাকড়, ৬টি সরীসৃপ, ১৫টি প্রাণী, ১৫টি সবজি।

ছবি দেখামাত্রই বলতে পারে ১৪ জন স্বাধীনতা সংগ্রামী, ১৮ জন দেবদেবীর বাহন, মানবদেহের ২০টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাম, ৩৭টি দেশের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে সপ্তাহের সাত দিনের নাম, বছরের ১২টি মাসের নাম, ১২টি মন্ত্র, হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি এবং ভারতের ৮টি জাতীয় প্রতীকের নামও অনর্গল বলতে পারে। সৃজনের এই অসামান্য মেধার কারণে তার নাম উঠেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে। আনন্দে আত্মহারা তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং এলাকাবাসী। সৃজনের বাবা সুখেন কুণ্ডু পেশায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, মা রিম্পা গৃহবধূ। তাঁদের কথায়, ছোটবেলা থেকেই সৃজনের স্মরণশক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর। বাড়িতে বা বাইরে কোনও নতুন জিনিস দেখলে সে খুব সহজে তা মনে রাখতে পারত। এরপর নিয়মিত না হলেও প্রায় প্রতিদিনই খেলাধুলার ফাঁকে ছেলেকে নতুন নতুন বিষয় শেখানোর চেষ্টা করা হতো। সৃজনের মা রিম্পা কুণ্ডু জানান, একবার তিনি ছেলেকে হনুমান চল্লিশা শেখাতে শুরু করেন। অবাক করার মতো ঘটনা হল, দ্রুত তা মুখস্থ করে ফেলে সৃজন। এখন যখনই তাকে বলা হয়, সে অনর্গল সকলের সামনে হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি করে।

সর্বাধিক পাঠিত

হাটের জমি রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন,বিডিও অফিসে প্রথম শুনানিতেও কাটল না জট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২ বছরের সৃজনের বিস্ময় প্রতিভা দেখে অবাক নাগরিক মহল

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: সবেমাত্র আধো-আধো কথা বলা শুরু করেছে। বয়স ২ বছর ৮ মাস। আর এই অল্প বয়সেই তার অসাধারণ স্মৃতিশক্তি আর মেধার যে পরিচয় দিচ্ছে পশ্চিম বর্ধমানের সৃজন কুণ্ডু, তা দেখে তাজ্জব সকলে! স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম থেকে দেবদেবীর বাহন আর মন্ত্র, পশুপাখি থেকে সবজি-ফল, মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাম – কী না বলতে পারে সে? আর এহেন ‘বিস্ময় প্রতিভা’কে খুঁজে বের করে স্বীকৃতি দিল ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’। ২০২৬ সালে তাদের রেকর্ডে নাম উঠেছে খুদে সৃজনের। জেলার পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা সৃজন কুণ্ডু। বয়স তিন বছর পেরনোর আগেই সে সহজে চিহ্নিত করতে পারে ৬টি পোকামাকড়, ৬টি সরীসৃপ, ১৫টি প্রাণী, ১৫টি সবজি।

ছবি দেখামাত্রই বলতে পারে ১৪ জন স্বাধীনতা সংগ্রামী, ১৮ জন দেবদেবীর বাহন, মানবদেহের ২০টি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নাম, ৩৭টি দেশের জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে সপ্তাহের সাত দিনের নাম, বছরের ১২টি মাসের নাম, ১২টি মন্ত্র, হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি এবং ভারতের ৮টি জাতীয় প্রতীকের নামও অনর্গল বলতে পারে। সৃজনের এই অসামান্য মেধার কারণে তার নাম উঠেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে। আনন্দে আত্মহারা তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং এলাকাবাসী। সৃজনের বাবা সুখেন কুণ্ডু পেশায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার, মা রিম্পা গৃহবধূ। তাঁদের কথায়, ছোটবেলা থেকেই সৃজনের স্মরণশক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর। বাড়িতে বা বাইরে কোনও নতুন জিনিস দেখলে সে খুব সহজে তা মনে রাখতে পারত। এরপর নিয়মিত না হলেও প্রায় প্রতিদিনই খেলাধুলার ফাঁকে ছেলেকে নতুন নতুন বিষয় শেখানোর চেষ্টা করা হতো। সৃজনের মা রিম্পা কুণ্ডু জানান, একবার তিনি ছেলেকে হনুমান চল্লিশা শেখাতে শুরু করেন। অবাক করার মতো ঘটনা হল, দ্রুত তা মুখস্থ করে ফেলে সৃজন। এখন যখনই তাকে বলা হয়, সে অনর্গল সকলের সামনে হনুমান চল্লিশা আবৃত্তি করে।