২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান

অভিজিৎ হাজরা, আমতা, হাওড়া: হাওড়া জেলার সম্মানের মুকুটে আরো একটি পালক সংযুক্ত হলো।বাগনান থানার কল্যাণপুরের সুস্মিতা কুন্ডু ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান পেল।২৫ বছর বয়সী সুস্মিতা কুন্ডু-র ছোট বয়স থেকেই আঁকার নেশা।এই নেশাকে সম্মান জানিয়ে তার আঁকায় তাকে অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন তার বাবা-মা।বাবা ও মায়ের অনুপ্রেরণায় আজ সে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান পেল।

এই প্রসঙ্গে সুস্মিতা বলেন,”এই সম্মান পেয়ে আমি ধন্য।এই সম্মান আমাকে আর ও বেশি করে উৎসাহিত করল। আমি ২ সেন্টিমিটার কাগজের উপরে প্রকৃতির নানান চিত্র তুলে ধরেছি।এই রকম ছোট ছোট চিত্র ১২২৬ টি আমি এঁকেছি জল রং দিয়ে। এটা শেষ করতে আমার সময় লেগেছে ২৭ দিন।এক একটা ছবি আঁকতে আমার সময় লেগেছে ৫ মিনিট। এর পর বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাতেই আমি বুক অফ রেকর্ডস এর ফর্ম ফিলাপ করে ছবি গুলো পাঠিয়েছিলাম।ওখান থেকে আমি নির্বাচিত হয়েছি।তাই অগাষ্ট মাসে আমার মেডেল,পেইন ব্যাচ,আই কার্ড আমাকে দেওয়া হয়। এটা পেয়ে আমি খুব খুশি। আঁকার পাশাপাশি আমি গান,নাচ, আবৃত্তি, লেখালেখি করতে ভালোবাসি।বিশেষ করে যেটা সবথেকে বেশি ভালোবাসি তা হলো দুঃস্থ-অসহায় মানুষদের পাশে থাকতে ও তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতে এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে”।

এলিটের আলো ছাড়িয়ে গ্রাসরুটের স্বপ্নযাত্রা, কলকাতা ইয়ুথ ফুটবল লীগে উঠছে আগামী দিনের তারকারা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান

আপডেট : ১৩ অগাস্ট ২০২১, শুক্রবার

অভিজিৎ হাজরা, আমতা, হাওড়া: হাওড়া জেলার সম্মানের মুকুটে আরো একটি পালক সংযুক্ত হলো।বাগনান থানার কল্যাণপুরের সুস্মিতা কুন্ডু ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান পেল।২৫ বছর বয়সী সুস্মিতা কুন্ডু-র ছোট বয়স থেকেই আঁকার নেশা।এই নেশাকে সম্মান জানিয়ে তার আঁকায় তাকে অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন তার বাবা-মা।বাবা ও মায়ের অনুপ্রেরণায় আজ সে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস ২০২১ এর সম্মান পেল।

এই প্রসঙ্গে সুস্মিতা বলেন,”এই সম্মান পেয়ে আমি ধন্য।এই সম্মান আমাকে আর ও বেশি করে উৎসাহিত করল। আমি ২ সেন্টিমিটার কাগজের উপরে প্রকৃতির নানান চিত্র তুলে ধরেছি।এই রকম ছোট ছোট চিত্র ১২২৬ টি আমি এঁকেছি জল রং দিয়ে। এটা শেষ করতে আমার সময় লেগেছে ২৭ দিন।এক একটা ছবি আঁকতে আমার সময় লেগেছে ৫ মিনিট। এর পর বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাতেই আমি বুক অফ রেকর্ডস এর ফর্ম ফিলাপ করে ছবি গুলো পাঠিয়েছিলাম।ওখান থেকে আমি নির্বাচিত হয়েছি।তাই অগাষ্ট মাসে আমার মেডেল,পেইন ব্যাচ,আই কার্ড আমাকে দেওয়া হয়। এটা পেয়ে আমি খুব খুশি। আঁকার পাশাপাশি আমি গান,নাচ, আবৃত্তি, লেখালেখি করতে ভালোবাসি।বিশেষ করে যেটা সবথেকে বেশি ভালোবাসি তা হলো দুঃস্থ-অসহায় মানুষদের পাশে থাকতে ও তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতে এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে”।