২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পার্কিং নিয়ে ঝামেলার জেরে স্ত্রী ও ছেলের সামনেই ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন যুবককে

নিজস্ব সংবাদদাতা : পার্কিং নিয়ে ঝামেলার জেরে ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড দিল্লিতে ।স্ত্রী ও ছেলের সামনেই ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হল এক যুবককে। রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে যুবকের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায় ছয় দুষ্কৃতী। ঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত নামে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঠিক কী ঘটেছিল?

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির সরিত বিহার এলাকার। মৃত যুবকের নাম অরবিন্দ মণ্ডল। বাড়ির কাছে বাইক পার্কিং নিয়ে মনোজ হালদার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা ছিল তাঁর। শনিবার সন্ধ্যায় ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে ফেরার পথে ফের ঝামেলা বাধে। যদিও শেষ পর্যন্ত উভয়ের মধ্যে বনিবনা হওয়ার পরেই ঘরে ফেরেন অরবিন্দ। এর পর রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ছজন অরবিন্দর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। তাঁকে ধারাল ছুরি দিয়ে কোপানো হয়। হামলা হয় স্ত্রী রেখা মণ্ডলের উপরেও। গুরুতর আহত অবস্থায় নিকটবর্তী হাসপাতালে ভরতি করা হয় অরবিন্দকে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। ৯টা ৪৫ নাগাদ ঘটনার খবর পায় পুলিশ। তদন্ত নেমে চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজু পাত্র, রবি আলিয়াস গোলু এবং শম্ভুকে। পলাতক বিজয় ও মূল অভিযুক্ত মনোজ।

“ফলতা নিয়ে আর চোখ রাঙানি চলবে না” দেবাংশু পান্ডা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পার্কিং নিয়ে ঝামেলার জেরে স্ত্রী ও ছেলের সামনেই ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন যুবককে

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পার্কিং নিয়ে ঝামেলার জেরে ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড দিল্লিতে ।স্ত্রী ও ছেলের সামনেই ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হল এক যুবককে। রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে যুবকের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায় ছয় দুষ্কৃতী। ঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত নামে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঠিক কী ঘটেছিল?

 

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি দক্ষিণ পূর্ব দিল্লির সরিত বিহার এলাকার। মৃত যুবকের নাম অরবিন্দ মণ্ডল। বাড়ির কাছে বাইক পার্কিং নিয়ে মনোজ হালদার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা ছিল তাঁর। শনিবার সন্ধ্যায় ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে ফেরার পথে ফের ঝামেলা বাধে। যদিও শেষ পর্যন্ত উভয়ের মধ্যে বনিবনা হওয়ার পরেই ঘরে ফেরেন অরবিন্দ। এর পর রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ছজন অরবিন্দর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। তাঁকে ধারাল ছুরি দিয়ে কোপানো হয়। হামলা হয় স্ত্রী রেখা মণ্ডলের উপরেও। গুরুতর আহত অবস্থায় নিকটবর্তী হাসপাতালে ভরতি করা হয় অরবিন্দকে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। ৯টা ৪৫ নাগাদ ঘটনার খবর পায় পুলিশ। তদন্ত নেমে চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজু পাত্র, রবি আলিয়াস গোলু এবং শম্ভুকে। পলাতক বিজয় ও মূল অভিযুক্ত মনোজ।