০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দুর্গাপুজোর আবহে মেতে ওঠে মন্দিরবাজারের নস্করবাড়ি। প্রায় ৩৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী ‘ছয় বুড়োর পুজো’ আজও এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। সময়ের সঙ্গে পুজোর জৌলুস কিছুটা কমলেও ঐতিহ্য ও উন্মাদনায় ভাটা পড়েনি। এ বছরও সমস্ত রীতিনীতি মেনে নস্করবাড়িতে শুরু হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ। নস্করবাড়ির প্রবীণ সদস্য পঞ্চানন নস্কর জানান, এটি মন্দিরবাজারের অন্যতম প্রাচীন পুজো। একসময় দেবীর নৈবেদ্য হিসেবে দেওয়া হত ২১ মণ চাল। বর্তমানে সেই পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ মণে।
পরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই পুজো। কথিত আছে, বাংলার নবাব হুসেন শাহের আমলে রায়দিঘির ছত্রভোগের বাসিন্দা রামচন্দ্র নস্কর ছিলেন নবাবের দেওয়ান। পরবর্তীতে তাঁর পৌত্র রামজীবন নস্কর এবং তাঁর পাঁচ ভাই মন্দিরবাজারের জগদীশপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। ছয় ভাই মিলে শুরু করেন দুর্গাপুজো। সেই থেকেই পুজোর নাম হয় ‘ছয় বুড়োর পুজো’। নবাবি আমলে ধুমধাম করে এই পুজো অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে আয়োজন কিছুটা সীমিত। তবে নস্করবাড়ির চণ্ডীমণ্ডপে আজও পুজোর দিনগুলিতে ফিরে আসে পুরনো দিনের স্মৃতি। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবছরই এই ঐতিহাসিক পুজো দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দুর্গাপুজোর আবহে মেতে ওঠে মন্দিরবাজারের নস্করবাড়ি। প্রায় ৩৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী ‘ছয় বুড়োর পুজো’ আজও এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। সময়ের সঙ্গে পুজোর জৌলুস কিছুটা কমলেও ঐতিহ্য ও উন্মাদনায় ভাটা পড়েনি। এ বছরও সমস্ত রীতিনীতি মেনে নস্করবাড়িতে শুরু হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ। নস্করবাড়ির প্রবীণ সদস্য পঞ্চানন নস্কর জানান, এটি মন্দিরবাজারের অন্যতম প্রাচীন পুজো। একসময় দেবীর নৈবেদ্য হিসেবে দেওয়া হত ২১ মণ চাল। বর্তমানে সেই পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ মণে।
পরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই পুজো। কথিত আছে, বাংলার নবাব হুসেন শাহের আমলে রায়দিঘির ছত্রভোগের বাসিন্দা রামচন্দ্র নস্কর ছিলেন নবাবের দেওয়ান। পরবর্তীতে তাঁর পৌত্র রামজীবন নস্কর এবং তাঁর পাঁচ ভাই মন্দিরবাজারের জগদীশপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। ছয় ভাই মিলে শুরু করেন দুর্গাপুজো। সেই থেকেই পুজোর নাম হয় ‘ছয় বুড়োর পুজো’। নবাবি আমলে ধুমধাম করে এই পুজো অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে আয়োজন কিছুটা সীমিত। তবে নস্করবাড়ির চণ্ডীমণ্ডপে আজও পুজোর দিনগুলিতে ফিরে আসে পুরনো দিনের স্মৃতি। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবছরই এই ঐতিহাসিক পুজো দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ।