২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৩ মে ২০২৬, শনিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গোহত্যা বন্ধ এবং গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সরব ইমাম-মোয়াজ্জেনরা

আনজুম মুনির, উত্তর ২৪ পরগনা: একদমই ভিন্ন চিত্র এবার আমাদের সামনে, গোহত্যা বন্ধ এবং গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সরব ইমাম মোয়াজ্জেনরা। রীতিমতো স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ব্লক অফিসের ভেতরে। ঘটনাটি স্বরূপনগর ব্লক অফিসের।

গতকাল স্বরূপনগর ব্লক অফিসে ইমাম ও মোয়াজ্জেনদের নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল ব্লক আধিকারিক। সেখানে ইমাম, মোয়াজ্জেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গোহত্যা নিয়ে সরকারি নির্দেশ ইমাম-মোয়াজ্জেনদের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেন ব্লক আধিকারিক এবং সরকারি আধিকারিকরা। পাশাপাশি, সরকারি আইন না মানলে, তার আইনত ব্যবস্থা কি হতে পারে সেটাও তাদেরকে বুঝিয়ে দেন।

এরপরেই দেখা গেল ইমাম-মোয়াজ্জেনরা একত্রিত হয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকে, গোহত্যা করা যাবে না, গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। গোহত্যর বিরুদ্ধে তারা এবং যারা গোহত্যা করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক যেমন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসন তেমন নেবে। পাশাপাশি, তাঁরা এটাও জানান যে ছাগল কুরবানীর সময় ভিডিও ছবি করে রাখতে যাতে সেই কুরবানী নিয়ে কোনরকম বিভ্রান্তকর প্রচার না হয়। পাশাপাশি, তাঁরা এটাও দাবি করেন যে যারা গোরু কিনে ফেলেছে, তাঁদের যেন সরকার কিছু ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে ।

মেখলিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল সংঘটিত করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গোহত্যা বন্ধ এবং গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সরব ইমাম-মোয়াজ্জেনরা

আপডেট : ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, উত্তর ২৪ পরগনা: একদমই ভিন্ন চিত্র এবার আমাদের সামনে, গোহত্যা বন্ধ এবং গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সরব ইমাম মোয়াজ্জেনরা। রীতিমতো স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন ব্লক অফিসের ভেতরে। ঘটনাটি স্বরূপনগর ব্লক অফিসের।

গতকাল স্বরূপনগর ব্লক অফিসে ইমাম ও মোয়াজ্জেনদের নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল ব্লক আধিকারিক। সেখানে ইমাম, মোয়াজ্জেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ আধিকারিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গোহত্যা নিয়ে সরকারি নির্দেশ ইমাম-মোয়াজ্জেনদের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেন ব্লক আধিকারিক এবং সরকারি আধিকারিকরা। পাশাপাশি, সরকারি আইন না মানলে, তার আইনত ব্যবস্থা কি হতে পারে সেটাও তাদেরকে বুঝিয়ে দেন।

এরপরেই দেখা গেল ইমাম-মোয়াজ্জেনরা একত্রিত হয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকে, গোহত্যা করা যাবে না, গোরুকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। গোহত্যর বিরুদ্ধে তারা এবং যারা গোহত্যা করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক যেমন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসন তেমন নেবে। পাশাপাশি, তাঁরা এটাও জানান যে ছাগল কুরবানীর সময় ভিডিও ছবি করে রাখতে যাতে সেই কুরবানী নিয়ে কোনরকম বিভ্রান্তকর প্রচার না হয়। পাশাপাশি, তাঁরা এটাও দাবি করেন যে যারা গোরু কিনে ফেলেছে, তাঁদের যেন সরকার কিছু ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে ।