৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সূচপুরের গণ হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে নানুরে শহীদ স্মরণ

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

সুচপুর গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূমের নানুরে শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠিত হল রবিবার।
তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সিপিআইএম বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে গণহত্যা সংঘটিত হয়। সূচপুরের মাটি রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল।
২০০০ সালের ২৭শে জুলাই নানুরের মাটিতে ১১ জন তৃণমূল কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ওঠে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। সে সময় রেলমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবর পেয়ে তিনি সেখান থেকেই সরাসরি ছুটে আসেন নানুরে। যা নানুরের ইতিহাসে সুচপুর গণহত্যা নামে পরিচিত।


রাজ্য রাজনীতিতে যা নিয়ে সে সময় শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবছর দিনটি নানূরের বাসাপাড়ায় শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই দিনটিকে এবার আরও দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য ২১ শে জুলাই কোলকাতায় শহীদ সমাবেশ থেকেই বেশ কিছু কর্মসূচি ঘোষণা করেন যার মধ্যে নানুরের শহীদ দিবসও উল্লেখ করা হয়। বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ এবং নানুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব এই আয়োজনের দায়িত্ব নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিন শহীদদের প্রতি সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও মাল্য দানের মাধ্যমে একত্রিত হয়েছেন এক নতুন বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা,ডেপুটি স্পিকার ডঃ আশীষ ব্যানার্জি, বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, অভিজিৎ সিনহা ও বিধানচন্দ্র মাজি, সাংসদ অসিত মাল, কেতুগ্রামের বিধায়ক তথা শহীদ পরিবারের সদস্য শেখ শাহনাওয়াজ সহ শহীদ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ এবং জেলার এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব ।
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ বাংলার মানুষ এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী। গণতন্ত্রের লড়াইয়ে শহিদদের আত্মবলিদানকে কেন্দ্র করে এই জনসমুদ্র শপথ নিচ্ছে-বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।
এ যেন শুধুই একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়-এ এক আবেগ, এক আত্মত্যাগের শ্রদ্ধাঞ্জলি, এক নতুন পথচলার দৃঢ় সংকল্প বলে দলীয় কর্মীদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সূচপুরের গণ হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে নানুরে শহীদ স্মরণ

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৫, রবিবার

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

সুচপুর গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূমের নানুরে শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠিত হল রবিবার।
তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের আমলে সিপিআইএম বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে গণহত্যা সংঘটিত হয়। সূচপুরের মাটি রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল।
২০০০ সালের ২৭শে জুলাই নানুরের মাটিতে ১১ জন তৃণমূল কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ওঠে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। সে সময় রেলমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খবর পেয়ে তিনি সেখান থেকেই সরাসরি ছুটে আসেন নানুরে। যা নানুরের ইতিহাসে সুচপুর গণহত্যা নামে পরিচিত।


রাজ্য রাজনীতিতে যা নিয়ে সে সময় শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবছর দিনটি নানূরের বাসাপাড়ায় শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই দিনটিকে এবার আরও দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য ২১ শে জুলাই কোলকাতায় শহীদ সমাবেশ থেকেই বেশ কিছু কর্মসূচি ঘোষণা করেন যার মধ্যে নানুরের শহীদ দিবসও উল্লেখ করা হয়। বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ এবং নানুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব এই আয়োজনের দায়িত্ব নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিন শহীদদের প্রতি সম্বর্ধনা জ্ঞাপন ও মাল্য দানের মাধ্যমে একত্রিত হয়েছেন এক নতুন বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা,ডেপুটি স্পিকার ডঃ আশীষ ব্যানার্জি, বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, অভিজিৎ সিনহা ও বিধানচন্দ্র মাজি, সাংসদ অসিত মাল, কেতুগ্রামের বিধায়ক তথা শহীদ পরিবারের সদস্য শেখ শাহনাওয়াজ সহ শহীদ পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ এবং জেলার এক ঝাঁক তৃণমূল নেতৃত্ব ।
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ বাংলার মানুষ এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী। গণতন্ত্রের লড়াইয়ে শহিদদের আত্মবলিদানকে কেন্দ্র করে এই জনসমুদ্র শপথ নিচ্ছে-বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।
এ যেন শুধুই একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়-এ এক আবেগ, এক আত্মত্যাগের শ্রদ্ধাঞ্জলি, এক নতুন পথচলার দৃঢ় সংকল্প বলে দলীয় কর্মীদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।