২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
২৪ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩

পঞ্চায়েত কর্মী সৈয়দ এরশাদুল কবিরের মানবিক মুখ রাজনগরে

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত সিউড়ি পুরাতন লাইনের বাসিন্দা সৈয়দ এরশাদুল কবীর।
এলাকায় অনেক দুস্থ মেধাবী ছাত্র ছাত্রী রয়েছে, যারা টাকা পয়সার অভাবে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক কিনতে পারে না। ফলে মেধা থাকা সত্ত্বেও এসব ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভাবে সাফল্য পায় না।
প্রাইভেট টিউটর নিয়ে পরীক্ষায় ভালো নাম্বার তুলে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন এইসব গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের যেন অধরা। যেখানে পাঠ্যপুস্তক কেনারই ক্ষমতা নেই সেখানে ভালো প্রাইভেট টিউটর নিয়ে পড়াশোনা করা তো এসব ছাত্রছাত্রীদের যেন স্বপ্নের ব্যাপার।
গরিব দুস্থ এসব ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে মন কাঁদে , সমাজে এমন মানুষও রয়েছেন যাদের মানবিক মুখ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসীরা। এরকমই একজন রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট সৈয়দ এরশাদুল কবির। প্রতিবছরই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক কিনে দেন। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিটিং হলে সোমবার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিভিন্ন গ্রামের ১৯ জন দুস্থ গরিব ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক তুলে দেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনগর হোলি এঞ্জেল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষক তথা স্থানীয় সমাজসেবী বিতান ধীবর, পঞ্চায়েত কর্মী রজনীকান্ত শিট , ধুর্যটি প্রসাদ চন্দ্ , কাজী দোয়েল সহ অন্যান্যরা।

সৈয়দ এরশাদুল কবিরের এই মানবিক মুখ দেখে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

 

মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রী, থ্যালাসেমিয়া রোগীকে রক্ত দিয়ে মানবতার নজির স্বামীর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পঞ্চায়েত কর্মী সৈয়দ এরশাদুল কবিরের মানবিক মুখ রাজনগরে

আপডেট : ১৩ মে ২০২৫, মঙ্গলবার

 

 

 

খান আরশাদ, বীরভূম:

রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত সিউড়ি পুরাতন লাইনের বাসিন্দা সৈয়দ এরশাদুল কবীর।
এলাকায় অনেক দুস্থ মেধাবী ছাত্র ছাত্রী রয়েছে, যারা টাকা পয়সার অভাবে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক কিনতে পারে না। ফলে মেধা থাকা সত্ত্বেও এসব ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভাবে সাফল্য পায় না।
প্রাইভেট টিউটর নিয়ে পরীক্ষায় ভালো নাম্বার তুলে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন এইসব গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের যেন অধরা। যেখানে পাঠ্যপুস্তক কেনারই ক্ষমতা নেই সেখানে ভালো প্রাইভেট টিউটর নিয়ে পড়াশোনা করা তো এসব ছাত্রছাত্রীদের যেন স্বপ্নের ব্যাপার।
গরিব দুস্থ এসব ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে মন কাঁদে , সমাজে এমন মানুষও রয়েছেন যাদের মানবিক মুখ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসীরা। এরকমই একজন রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট সৈয়দ এরশাদুল কবির। প্রতিবছরই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক কিনে দেন। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিটিং হলে সোমবার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিভিন্ন গ্রামের ১৯ জন দুস্থ গরিব ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক তুলে দেন।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনগর হোলি এঞ্জেল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষক তথা স্থানীয় সমাজসেবী বিতান ধীবর, পঞ্চায়েত কর্মী রজনীকান্ত শিট , ধুর্যটি প্রসাদ চন্দ্ , কাজী দোয়েল সহ অন্যান্যরা।

সৈয়দ এরশাদুল কবিরের এই মানবিক মুখ দেখে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।