১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

জনপরিসেবা অধিকার আইন নিয়ে কর্মশালা

নিজস্ব সংবাদদাতা :সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পরিষেবা নিতে গিয়ে এক শ্রেনীর কর্মচারীর দ্বারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হন। সরকারি দপ্তরে পরিষেবা নিতে গিয়ে মানুষের হাইরানি বন্ধে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১৩ সালে এই আইনটি নিয়ে এসেছে। আইনের মূল কথাই হল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপিত সরকারি পরিষেবা গুলি সাধারণ মানুষকে দিতে হবে। গাফিলতি প্রমাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আর্থিক জরিমানার ব্যবস্থা আছে।

আজ বাঁকুড়া জেলার জয়পুর বিডিও অফিসের সভাকক্ষে জনপরিসেবা অধিকার আইনের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি নিয়ে ওয়ার্কসপ কাম ট্রেনিং প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরের বিডিও বিট্টু ভৌমিক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি,,,,,, সহসভাপতি নবকুমার রুইদাস, বাঁকুড়া জেলা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের উপ সহ অধিকর্তা রমেন সরকার সহ জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। উল্লেখ এই আইন অনুযায়ী প্রতিটি দপ্তরকে কোন সার্ভিস কতদিনে দেওয়া হবে তা প্রকাশ্য স্থানে প্রজ্ঞাপিত করতে হবে বলে জানা যায়। এই আইনে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিতে গিয়ে হায়রানি কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জনপরিসেবা অধিকার আইন নিয়ে কর্মশালা

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পরিষেবা নিতে গিয়ে এক শ্রেনীর কর্মচারীর দ্বারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হন। সরকারি দপ্তরে পরিষেবা নিতে গিয়ে মানুষের হাইরানি বন্ধে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১৩ সালে এই আইনটি নিয়ে এসেছে। আইনের মূল কথাই হল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপিত সরকারি পরিষেবা গুলি সাধারণ মানুষকে দিতে হবে। গাফিলতি প্রমাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আর্থিক জরিমানার ব্যবস্থা আছে।

আজ বাঁকুড়া জেলার জয়পুর বিডিও অফিসের সভাকক্ষে জনপরিসেবা অধিকার আইনের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি নিয়ে ওয়ার্কসপ কাম ট্রেনিং প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরের বিডিও বিট্টু ভৌমিক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি,,,,,, সহসভাপতি নবকুমার রুইদাস, বাঁকুড়া জেলা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের উপ সহ অধিকর্তা রমেন সরকার সহ জয়পুর পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। উল্লেখ এই আইন অনুযায়ী প্রতিটি দপ্তরকে কোন সার্ভিস কতদিনে দেওয়া হবে তা প্রকাশ্য স্থানে প্রজ্ঞাপিত করতে হবে বলে জানা যায়। এই আইনে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিতে গিয়ে হায়রানি কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।