১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মাধ্যমিক ২০১৯: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘন্টা, আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, মঙ্গলবার
  • 8

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:আর কয়েকঘন্টা পর থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রশ্ন ফাঁস রুখতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরীক্ষার কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল। মোবাইল আনলে প্রধান শিক্ষকের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে। শুধু তাই নয়, ওই মোবাইলগুলি তালাবন্দি অবস্থায় আলমারিতে রাখতে হবে। পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে তবেই মোবাইল ফেরত দেওয়া হবে। শনিবার পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় এ কথা জানান।
তিনি বলেন, “পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল না নিয়ে এলেই ভাল হয়। নিয়ে এলে প্রধান শিক্ষককের কাছে জমা করতে হবে। এ বিষয় নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। এর পরেও পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষক, শিক্ষিকা অথবা শিক্ষাকর্মীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। কল্যাণময়বাবু বলেন, “ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের সংখ্যা ১৩ শতাংশ বেশি। মোট পরীক্ষার্থী ১০ লক্ষেরও বেশি। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্রধান পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

প্রতি বছরই অভিযোগ ওঠে, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকদের একাংশ মোবাইল ফোন নিয়ে যান। এ বছর মাধ্যমিকে তাই আগে থেকে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে।

মাধ্যমিক পরীক্ষা ১২ থেকে বেলা ৩ পর্যন্ত চলবে। সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে পরীক্ষার মুখবন্ধ খামে হলে প্রশ্নপত্র পৌছবে। ১১টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষাদের দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। ১১টা ৫৫ মিনিটে দেওয়া হবে উত্তরপত্র। অতিরিক্ত প্রশ্নপত্র থাকলে, সেগুলি মুখবন্ধ খামে প্রধান শিক্ষকের কাছে দিয়ে দিতে হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কন্ট্রোলরুম চালু রয়েছে (২৩২১-৩৮৭২, ২৩৫৯-২২৭৮)। কারও অ্যাডমিট বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যা থাকলে মধ্যশিক্ষা পর্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে শিক্ষা দফতর। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশেও পর্ষদের পরামর্শ, ভুল করেও মোবাইল কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবে না। তা হলে পরীক্ষাই বাতিল হয়ে যেতে পারে। এমনকি হাত ঘড়ির ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা হয়েছে। শুধুমাত্র সময় দেখা যাবে এমন ঘড়ি আনতে বলা হয়েছে। ডিজিটাল ঘড়ি চলবে না।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন: সেমিফাইনালে উঠলেন সিন্ধু, কোয়ার্টার ফাইনালে ইয়ামাগুচির কাছে হারলেন তানভি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাধ্যমিক ২০১৯: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘন্টা, আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:আর কয়েকঘন্টা পর থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রশ্ন ফাঁস রুখতে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরীক্ষার কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল। মোবাইল আনলে প্রধান শিক্ষকের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে। শুধু তাই নয়, ওই মোবাইলগুলি তালাবন্দি অবস্থায় আলমারিতে রাখতে হবে। পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে তবেই মোবাইল ফেরত দেওয়া হবে। শনিবার পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় এ কথা জানান।
তিনি বলেন, “পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল না নিয়ে এলেই ভাল হয়। নিয়ে এলে প্রধান শিক্ষককের কাছে জমা করতে হবে। এ বিষয় নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। এর পরেও পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষক, শিক্ষিকা অথবা শিক্ষাকর্মীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। কল্যাণময়বাবু বলেন, “ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের সংখ্যা ১৩ শতাংশ বেশি। মোট পরীক্ষার্থী ১০ লক্ষেরও বেশি। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্রধান পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

প্রতি বছরই অভিযোগ ওঠে, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকদের একাংশ মোবাইল ফোন নিয়ে যান। এ বছর মাধ্যমিকে তাই আগে থেকে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে।

মাধ্যমিক পরীক্ষা ১২ থেকে বেলা ৩ পর্যন্ত চলবে। সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে পরীক্ষার মুখবন্ধ খামে হলে প্রশ্নপত্র পৌছবে। ১১টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষাদের দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। ১১টা ৫৫ মিনিটে দেওয়া হবে উত্তরপত্র। অতিরিক্ত প্রশ্নপত্র থাকলে, সেগুলি মুখবন্ধ খামে প্রধান শিক্ষকের কাছে দিয়ে দিতে হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কন্ট্রোলরুম চালু রয়েছে (২৩২১-৩৮৭২, ২৩৫৯-২২৭৮)। কারও অ্যাডমিট বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যা থাকলে মধ্যশিক্ষা পর্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে শিক্ষা দফতর। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশেও পর্ষদের পরামর্শ, ভুল করেও মোবাইল কেউ নিজের কাছে রাখতে পারবে না। তা হলে পরীক্ষাই বাতিল হয়ে যেতে পারে। এমনকি হাত ঘড়ির ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা হয়েছে। শুধুমাত্র সময় দেখা যাবে এমন ঘড়ি আনতে বলা হয়েছে। ডিজিটাল ঘড়ি চলবে না।