২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বড় কোন চমক ছাড়াই ৪২-এর লক্ষ্যে ঘোষণা হল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা

জাকির হোসেন সেখ, নতুন গতি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার‌ই জানিয়েছিলেন, নির্বাচনী কৌশল চুড়ান্ত করতে আজ মঙ্গলবার বিকেলেই বসা হবে বৈঠকে। প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের নামও। সেইমত জানা গেল তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের নাম। বড় কোন রদবদল ছাড়াই প্রকাশ হল তালিকা।
২০১৪ সালের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে এবারের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ৪২টা আসনের সরকারি ভাবে চিত্রটা ছিল তৃনমূল কংগ্রেস ৩৪, জাতীয় কংগ্রেস ৪, সিপিআইএম ২ এবং বিজেপি ২
আবার দল বদলের নিরিখে হিসাব করলে দাঁড়াবে, মালদা উত্তর কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেসের সাংসদ মৌসম বেনজির নুর পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা চারকে তিনে নামিয়ে দিয়ে তিনি তৃনমূলের দলে ভিড়েছেন। অপরদিকে তৃনমূলের ৩৪ জন সাংসদের মধ্যে বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তৃনমূল থেকে বহিস্কৃত হয়ে বিজেপির সাথে তাল মিলিয়েছেন। সবমিলিয়ে ৪২ জন সাংসদের মধ্যে তাঁদের মন মর্জি আর সমর্থনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের দলগত চিত্রঃ – তৃনমূল ৩৩, জাতীয় কংগ্রেস ৩, বিজেপি ৪, এবং সিপিআইএম ২, – এই অবস্থায় ১৬ তম লোকসভার শেষে ১৭ তম লোকসভার আচরন বিধি সহ নির্ঘণ্ট জারি হয়েছে।
তৃনমূলের ৩৪ জন সাংসদের মধ্যে নাট্য ও চলচ্চিত্র জগতের ছিলেন ৬ জন। সমাজকর্মী এবং নাট্যব্যক্তিত্ব অর্পিতা ঘোষ ছিলেন বালুরঘাট কেন্দ্রের সাংসদ। বাকি ৫ সাংসদ ছিলেন চলচ্চিত্র জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব – কৃষ্ণনগরের তাপস পাল, ঘাটালের দীপক অধিকারী ওরফে সুপারস্টার দেব, মেদিনীপুরের সন্ধ্যা রায়, বাঁকুড়ার মুনমুন সেন এবং বীরভূমের শতাব্দী রায়। অনেকেই ভাবছিলেন তৃনমুলের নীচু তলার কর্মীদের অনুযোগ অভিযোগে হয়ত তারকারা সকলেই বাদ পড়বেন। পুরোপুরি তা কিন্তু হয়নি। শুধু মেদিনীপুর থেকে সন্ধ্যা রায় আর কৃষ্ণনগর থেকে তাপস পালকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় আনা হয়েছে যথাক্রমে মানস ভুঁইয়া ও মহুয়া মৈত্রকে। মুনমুন সেনকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র বাঁকুড়া থেকে সরিয়ে আসানসোলে প্রার্থী করা হয়েছে। বাঁকুড়ায় নতুন মুখ পোড় খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এছাড়া বড় ধরনের বদল বলতে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে সুগত বসুর স্থলে চলচ্চিত্র নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে সুব্রত বক্সীর স্থলে মালা রায়। বসিরহাটে ইদ্রিস আলীর স্থলে চলচ্চিত্র নায়িকা নুসরাত জাহান। যদিও ইদ্রিস আলীকে সন্তুষ্ট করতে উলুবেড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃনমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বড় কোন চমক ছাড়াই ৪২-এর লক্ষ্যে ঘোষণা হল তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার

জাকির হোসেন সেখ, নতুন গতি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার‌ই জানিয়েছিলেন, নির্বাচনী কৌশল চুড়ান্ত করতে আজ মঙ্গলবার বিকেলেই বসা হবে বৈঠকে। প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের নামও। সেইমত জানা গেল তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের নাম। বড় কোন রদবদল ছাড়াই প্রকাশ হল তালিকা।
২০১৪ সালের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে এবারের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ৪২টা আসনের সরকারি ভাবে চিত্রটা ছিল তৃনমূল কংগ্রেস ৩৪, জাতীয় কংগ্রেস ৪, সিপিআইএম ২ এবং বিজেপি ২
আবার দল বদলের নিরিখে হিসাব করলে দাঁড়াবে, মালদা উত্তর কেন্দ্রের জাতীয় কংগ্রেসের সাংসদ মৌসম বেনজির নুর পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা চারকে তিনে নামিয়ে দিয়ে তিনি তৃনমূলের দলে ভিড়েছেন। অপরদিকে তৃনমূলের ৩৪ জন সাংসদের মধ্যে বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা এবং বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তৃনমূল থেকে বহিস্কৃত হয়ে বিজেপির সাথে তাল মিলিয়েছেন। সবমিলিয়ে ৪২ জন সাংসদের মধ্যে তাঁদের মন মর্জি আর সমর্থনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের দলগত চিত্রঃ – তৃনমূল ৩৩, জাতীয় কংগ্রেস ৩, বিজেপি ৪, এবং সিপিআইএম ২, – এই অবস্থায় ১৬ তম লোকসভার শেষে ১৭ তম লোকসভার আচরন বিধি সহ নির্ঘণ্ট জারি হয়েছে।
তৃনমূলের ৩৪ জন সাংসদের মধ্যে নাট্য ও চলচ্চিত্র জগতের ছিলেন ৬ জন। সমাজকর্মী এবং নাট্যব্যক্তিত্ব অর্পিতা ঘোষ ছিলেন বালুরঘাট কেন্দ্রের সাংসদ। বাকি ৫ সাংসদ ছিলেন চলচ্চিত্র জগতের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব – কৃষ্ণনগরের তাপস পাল, ঘাটালের দীপক অধিকারী ওরফে সুপারস্টার দেব, মেদিনীপুরের সন্ধ্যা রায়, বাঁকুড়ার মুনমুন সেন এবং বীরভূমের শতাব্দী রায়। অনেকেই ভাবছিলেন তৃনমুলের নীচু তলার কর্মীদের অনুযোগ অভিযোগে হয়ত তারকারা সকলেই বাদ পড়বেন। পুরোপুরি তা কিন্তু হয়নি। শুধু মেদিনীপুর থেকে সন্ধ্যা রায় আর কৃষ্ণনগর থেকে তাপস পালকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় আনা হয়েছে যথাক্রমে মানস ভুঁইয়া ও মহুয়া মৈত্রকে। মুনমুন সেনকে তাঁর পুরনো কেন্দ্র বাঁকুড়া থেকে সরিয়ে আসানসোলে প্রার্থী করা হয়েছে। বাঁকুড়ায় নতুন মুখ পোড় খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এছাড়া বড় ধরনের বদল বলতে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে সুগত বসুর স্থলে চলচ্চিত্র নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে সুব্রত বক্সীর স্থলে মালা রায়। বসিরহাটে ইদ্রিস আলীর স্থলে চলচ্চিত্র নায়িকা নুসরাত জাহান। যদিও ইদ্রিস আলীকে সন্তুষ্ট করতে উলুবেড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃনমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।