২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
২৬ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

সেনাবাহিনীতে ‘কাপুরুষদের’ জায়গা নেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

জাকির হোসেন সেখ, ৪ জুলাই, নতুন গতি: বরখাস্ত হ‌ওয়া সেনা জ‌ওয়ান দলবীর সিংয়ের করা এক মামলার রায়ে আজ একথা বলে সুপ্রিম কোর্ট।

২০০৮ সালের ৬ মার্চ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন জম্মু ও কাশ্মীরে কর্তব্যরত জওয়ান দলবীর সিং। তাঁর বিরুদ্ধে ভীরুতার অভিযোগে সেনা আদালতে বিচার হয়। সেখানে দোষী সাব্যস্থ্যে বরখাস্ত করা হলে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান দলবীর সিং। সেই আপিল মামলার রায় দিল আজ সুপ্রিম কোর্ট। আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ২০০৬ সালের ১৩ অগাস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের দারিগিদিয়ান গ্রাম ঘিরে ফেলে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। সেখানে লুকিয়ে ছিল বেশ কয়েকজন জঙ্গি। তারা সেনাবাহনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করতেই নিজের পোস্ট ছেড়ে চলে যান দলবীর সিং। জঙ্গিরা তাঁর পায়ে গুলি করে মেশিনগান ছিনিয়ে নিয়ে অন্য এক জওয়ানকে হত্যা করে। পাশাপাশি গুলি চালিয়ে সেনাবাহিনীর কর্ডন ভেঙে দেয়। ওই ঘটনার পরিপ্রক্ষিতেই দলবীরকে সেনা বাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয় ও বিচারে ৬ মাসে জেল হয়।

সুপ্রিম কোর্ট তার রায় দিতে গিয়ে বলে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও জওয়ান আগে কী করেছে তা বিচার্য নয়। বরং প্রয়োজনের সময়ে একজন সেনা ঘুরে দাঁড়াবে এটাই আশা করা হয়। জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বিপুল টাকা খরচ করে দেশ। দেশের সুরক্ষার জন্যে তারা লড়াই করবে এটাই স্বাভাবিক। কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে জওয়ানরা যদি পিছু হঠে তাহলে তাকে কাপুরুষতাই বলা যায়।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সেনাবাহিনীতে ‘কাপুরুষদের’ জায়গা নেই, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট : ৪ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার

জাকির হোসেন সেখ, ৪ জুলাই, নতুন গতি: বরখাস্ত হ‌ওয়া সেনা জ‌ওয়ান দলবীর সিংয়ের করা এক মামলার রায়ে আজ একথা বলে সুপ্রিম কোর্ট।

২০০৮ সালের ৬ মার্চ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হন জম্মু ও কাশ্মীরে কর্তব্যরত জওয়ান দলবীর সিং। তাঁর বিরুদ্ধে ভীরুতার অভিযোগে সেনা আদালতে বিচার হয়। সেখানে দোষী সাব্যস্থ্যে বরখাস্ত করা হলে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান দলবীর সিং। সেই আপিল মামলার রায় দিল আজ সুপ্রিম কোর্ট। আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ২০০৬ সালের ১৩ অগাস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের দারিগিদিয়ান গ্রাম ঘিরে ফেলে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। সেখানে লুকিয়ে ছিল বেশ কয়েকজন জঙ্গি। তারা সেনাবাহনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করতেই নিজের পোস্ট ছেড়ে চলে যান দলবীর সিং। জঙ্গিরা তাঁর পায়ে গুলি করে মেশিনগান ছিনিয়ে নিয়ে অন্য এক জওয়ানকে হত্যা করে। পাশাপাশি গুলি চালিয়ে সেনাবাহিনীর কর্ডন ভেঙে দেয়। ওই ঘটনার পরিপ্রক্ষিতেই দলবীরকে সেনা বাহিনী থেকে বরখাস্ত করা হয় ও বিচারে ৬ মাসে জেল হয়।

সুপ্রিম কোর্ট তার রায় দিতে গিয়ে বলে, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও জওয়ান আগে কী করেছে তা বিচার্য নয়। বরং প্রয়োজনের সময়ে একজন সেনা ঘুরে দাঁড়াবে এটাই আশা করা হয়। জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বিপুল টাকা খরচ করে দেশ। দেশের সুরক্ষার জন্যে তারা লড়াই করবে এটাই স্বাভাবিক। কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে জওয়ানরা যদি পিছু হঠে তাহলে তাকে কাপুরুষতাই বলা যায়।