দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতিতে নয়া অধ্যায়! দুই ভাগে ভাগ তৃণমূল কংগ্রেস। অভিষেক ঘটলো ‘নব তৃণমূল ব্লক’এর। এই বিষয়টিকে ঘিরে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রাজ্য রাজনীতি কোন পথে এগোতে চলেছে বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়া দলের ভবিষ্যৎ কি, এই সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে গোটা রাজ্যে। বলা ভালো, অন্য মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলের একাংশে উত্তেজনা।
নব তৃণমূল ব্লকের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া উপ-দলনেতার ভূমিকায় দেখা যাবে শিউলি সাহা, জাভেদ খান ও সন্দীপন সাহা। এদিন মোট ৫৮ জন বিধায়কের সই নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় প্রবেশ করেন। যদিও এই ৫৮ জন কিন্তু নতুন দল তৈরি করেননি। তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজেদের সর্বময় নেত্রী মানছেন। সংখ্যার নিরীকে এই ব্লককেই স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে বিধানসভার তরফ থেকে। এই মুহূর্তে আদি তৃণমূল বিধায়কদের সংখ্যা ২২ এবং নবদের সংখ্যা ৫৮।
রাজনৈতিক মহলের মতে ব্যর্থতা ভুলে সবে পথ নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে এমনটা হওয়া নিঃসন্দেহে এক বড় ধাক্কা। শুধু তাই নয়, একাংশ এও মনে করছেন যে এর জেরে লড়াই আরো কঠিন হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর বাহিনীর। সেক্ষেত্রে এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে আর কি হয়। গেরুয়া ঝড়ের মোকাবিলা কিভাবে করে তারা, সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।
নতুন গতি 



















