১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

রেললাইন থেকে উদ্ধার ব্যাঙ্ককর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ!

নিজস্ব সংবাদদাতা : রেললাইন থেকে উদ্ধার হল ব্যাঙ্ককর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। বুধবার বর্ধমান-আসানসোল রেলপথের গলসির পারাজ স্টেশনের কাছে রেললাইন থেকে ওই দেহটি উদ্ধার হয়েছে। পরে মৃতের পরিচয়ও জানতে পেরেছে পুলিশ। এটি খুন না কি আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্দ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, গলসির পারাজ স্টেশনে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। পরে জানা যায়, মৃতের নাম শেখ ইসমাইল। ৩০ বছরের ওই যুবক দুর্গাপুরের একটি সরকারি ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন। বুধবার সকালে তাঁর দেহ মেলে পারাজ স্টেশন থেকে একটু দূরে লাইনের উপর। স্থানীয়রা দেহ দেখতে পেয়ে খবর দেন রেলে।

 

এই দেহ উদ্ধার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা তথা এক প্রত্যক্ষদর্শী সুভাষ মণ্ডল বলেন, ‘‘বর্তমানে তিনি গলসি থানার পুরসা গ্রামে বসবাস করতেন। তবে তাঁর আদি বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার থানার মাধবপুর গ্রামে।’’ স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বুধবার সকালে কর্মস্থলের দিকেই যাচ্ছিলেন ইসমাইল। তাঁদের প্রাথমিক অনুমান, স্টেশন যাওয়ার পথে কোনও ভাবে রেললাইনে পড়ে যান তিনি। পরে স্টেশনের যাত্রীরা তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ রেললাইনের উপরে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রেলপুলিশ। তবে দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যাঙ্ককর্মীর, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেলপুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রেললাইন থেকে উদ্ধার ব্যাঙ্ককর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ!

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : রেললাইন থেকে উদ্ধার হল ব্যাঙ্ককর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। বুধবার বর্ধমান-আসানসোল রেলপথের গলসির পারাজ স্টেশনের কাছে রেললাইন থেকে ওই দেহটি উদ্ধার হয়েছে। পরে মৃতের পরিচয়ও জানতে পেরেছে পুলিশ। এটি খুন না কি আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্দ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, গলসির পারাজ স্টেশনে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। পরে জানা যায়, মৃতের নাম শেখ ইসমাইল। ৩০ বছরের ওই যুবক দুর্গাপুরের একটি সরকারি ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন। বুধবার সকালে তাঁর দেহ মেলে পারাজ স্টেশন থেকে একটু দূরে লাইনের উপর। স্থানীয়রা দেহ দেখতে পেয়ে খবর দেন রেলে।

 

এই দেহ উদ্ধার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা তথা এক প্রত্যক্ষদর্শী সুভাষ মণ্ডল বলেন, ‘‘বর্তমানে তিনি গলসি থানার পুরসা গ্রামে বসবাস করতেন। তবে তাঁর আদি বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার থানার মাধবপুর গ্রামে।’’ স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বুধবার সকালে কর্মস্থলের দিকেই যাচ্ছিলেন ইসমাইল। তাঁদের প্রাথমিক অনুমান, স্টেশন যাওয়ার পথে কোনও ভাবে রেললাইনে পড়ে যান তিনি। পরে স্টেশনের যাত্রীরা তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ রেললাইনের উপরে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রেলপুলিশ। তবে দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যাঙ্ককর্মীর, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেলপুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে পুলিশ