০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“দুই দল থেকে বহিস্কার হওয়ার গৌরব এখন ঋতব্রতর হাতে”: শতরুপ ঘোষ

আনজুম মুনির, কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল বহিস্কার করেছে। আর তারপরেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ৯ বছর আগে এই অভিযোগেই সিপিএম (CPIM) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee)। আজ আবারও সেই একই কারণে তৃণমূলের ‘বহিষ্কৃত’ নেতা তিনি। নিজেরই দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। তারপরই তৃণমূলের কড়া পদক্ষেপ।

এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ (Satarup Ghosh)। ঋতব্রতকে ‘বেইমান’ বললেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, “বাংলার রাজনীতির প্রথম নায়ক, যিনি একটি জীবনে দুই দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন।”একইসঙ্গে ঋতব্রতকে ‘যমের অরুচি’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। শতরূপ ঘোষ বলেন,”কতখানি যমের অরুচি হলে এমনটা হতে পারে। সিপিএমও তাঁকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। তৃণমূলও তাঁকে তাড়িয়ে দিল।”

একইসঙ্গে তাঁর দাবি ঋতব্রত বেইমানি করবে জানা কথাই ছিল। বলেন,”যে সিপিএম গোটা দেশের ছাত্র আন্দোলনের নেতা বানিয়েছিল ঋতব্রতকে, কম বয়সে সংসদে সাংসদ করে পাঠিয়েছিল, সেই সিপিএমের সঙ্গেই যদি গদ্দারি, বেইমানি করে থাকতে পারে, তাহলে তৃণমূলের সঙ্গেও বেইমানি করবে, তা জানা ছিল।” শতরূপের দাবি, ঋতব্রতকে দলে নেওয়ার পর একদিন তৃণমূলকে এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতেই হতো। এই বিষয়ে সিপিএম নেতা বলেন,”ঋতব্রত যখন তৃণমূলে গিয়ে সিপিএমের দুর্নাম করত, তখন আনন্দ হয়েছিল মমতা, অভিষেকদের। মাথায় তুলে নেচেছিলেন। এবার আপনার ঘরে গিয়েও বেইমানি করেছে। এই ফল তৃণমূলকে ভুগতেই হতো।”

রাজনগরে দুর্ঘটনায় মৃত কংগ্রেস অঞ্চল সভাপতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“দুই দল থেকে বহিস্কার হওয়ার গৌরব এখন ঋতব্রতর হাতে”: শতরুপ ঘোষ

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল বহিস্কার করেছে। আর তারপরেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ৯ বছর আগে এই অভিযোগেই সিপিএম (CPIM) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee)। আজ আবারও সেই একই কারণে তৃণমূলের ‘বহিষ্কৃত’ নেতা তিনি। নিজেরই দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। তারপরই তৃণমূলের কড়া পদক্ষেপ।

এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন সিপিএম নেতা শতরূপ ঘোষ (Satarup Ghosh)। ঋতব্রতকে ‘বেইমান’ বললেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, “বাংলার রাজনীতির প্রথম নায়ক, যিনি একটি জীবনে দুই দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন।”একইসঙ্গে ঋতব্রতকে ‘যমের অরুচি’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। শতরূপ ঘোষ বলেন,”কতখানি যমের অরুচি হলে এমনটা হতে পারে। সিপিএমও তাঁকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। তৃণমূলও তাঁকে তাড়িয়ে দিল।”

একইসঙ্গে তাঁর দাবি ঋতব্রত বেইমানি করবে জানা কথাই ছিল। বলেন,”যে সিপিএম গোটা দেশের ছাত্র আন্দোলনের নেতা বানিয়েছিল ঋতব্রতকে, কম বয়সে সংসদে সাংসদ করে পাঠিয়েছিল, সেই সিপিএমের সঙ্গেই যদি গদ্দারি, বেইমানি করে থাকতে পারে, তাহলে তৃণমূলের সঙ্গেও বেইমানি করবে, তা জানা ছিল।” শতরূপের দাবি, ঋতব্রতকে দলে নেওয়ার পর একদিন তৃণমূলকে এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতেই হতো। এই বিষয়ে সিপিএম নেতা বলেন,”ঋতব্রত যখন তৃণমূলে গিয়ে সিপিএমের দুর্নাম করত, তখন আনন্দ হয়েছিল মমতা, অভিষেকদের। মাথায় তুলে নেচেছিলেন। এবার আপনার ঘরে গিয়েও বেইমানি করেছে। এই ফল তৃণমূলকে ভুগতেই হতো।”