২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রিয় অস্থায়ী কর্মীর স্মরণসভা

সেখ সামসুদ্দিন, ১৯ আগস্টঃ মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১ বিদ্যালয়ে পরিচালন সমিতি নিযুক্ত অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী শত্রুঘ্ন ধারা (৫০) ওরফে গোরা গত ২০ জুলাই ২০২৫ রাতে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে ইহলোক ত্যাগ করেন। তাঁর জন্য বিদ্যালয়ে পঙ্কজ কুমার দাঁ মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস হলে স্মরণ সভা করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ২০০০ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পরিচালন সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যগণ, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক অরিন্দম কোঙার, সেখ আনোয়ার আলী সহ বহু প্রাক্তন শিক্ষক, ডাঃ অভয় সামন্ত, বর্তমান পরিচালন সমিতির সভাপতি আশিষ ঘোষদস্তিদার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব কুমার ঘোষাল সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা, অশিক্ষা কর্মী স্টাফ সহ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং গোরার পরিবার পরিজন। গোরা একজন নিষ্ঠাবান কর্মী ছিলেন, তার অর্থ ছিল না, কিন্তু মন ছিল উদার ও বড়। তাঁর রাজনৈতিক একটি পরিচয় ছিল, তা সত্বেও জাতি-ধর্ম, দলমত, ছোট বড় নির্বিশেষে সকলের সাথে ছিল ভালো ব্যবহার। যার ফলে স্মরণ সভা ছিল পূর্ণ। এদিন বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে ২০ হাজার ১ টাকা এবং স্টাফ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ৫৯ হাজার ১ টাকা পরিবারের হাতে প্রদান করা হয়। অরিন্দম কোঙার বলেন গোরার পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠাবেন। এছাড়াও অনেকেই মেয়ের পড়াশোনা সহ পরিবারের পাশে থাকার কথা দেন।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রিয় অস্থায়ী কর্মীর স্মরণসভা

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২৫, মঙ্গলবার

সেখ সামসুদ্দিন, ১৯ আগস্টঃ মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দির শাখা ১ বিদ্যালয়ে পরিচালন সমিতি নিযুক্ত অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী শত্রুঘ্ন ধারা (৫০) ওরফে গোরা গত ২০ জুলাই ২০২৫ রাতে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে ইহলোক ত্যাগ করেন। তাঁর জন্য বিদ্যালয়ে পঙ্কজ কুমার দাঁ মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস হলে স্মরণ সভা করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ২০০০ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত পরিচালন সভাপতি, সম্পাদক ও সদস্যগণ, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক অরিন্দম কোঙার, সেখ আনোয়ার আলী সহ বহু প্রাক্তন শিক্ষক, ডাঃ অভয় সামন্ত, বর্তমান পরিচালন সমিতির সভাপতি আশিষ ঘোষদস্তিদার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেশব কুমার ঘোষাল সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা, অশিক্ষা কর্মী স্টাফ সহ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং গোরার পরিবার পরিজন। গোরা একজন নিষ্ঠাবান কর্মী ছিলেন, তার অর্থ ছিল না, কিন্তু মন ছিল উদার ও বড়। তাঁর রাজনৈতিক একটি পরিচয় ছিল, তা সত্বেও জাতি-ধর্ম, দলমত, ছোট বড় নির্বিশেষে সকলের সাথে ছিল ভালো ব্যবহার। যার ফলে স্মরণ সভা ছিল পূর্ণ। এদিন বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে ২০ হাজার ১ টাকা এবং স্টাফ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ৫৯ হাজার ১ টাকা পরিবারের হাতে প্রদান করা হয়। অরিন্দম কোঙার বলেন গোরার পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠাবেন। এছাড়াও অনেকেই মেয়ের পড়াশোনা সহ পরিবারের পাশে থাকার কথা দেন।