০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যোগী রাজ্যে জবরদখল উচ্ছেদ অভিযানের নামে পোড়ানো হল ২০০ মুসলিম ঝুপড়ি

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন । চারিদিকে চলছে মানুষের ছোটাছুটি। কালো ঘন ধুয়োয় ভরে গেছে চারিদিক। পুড়ছে দুই শতাধিক ঝুপড়ি ।ঘটনাটি ঘটেছে খোদ উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের
মিরাট জেলায়। মাছেরান বস্তির দুইশত মুসলিম পরিবারের ঘর পোড়ানোর অভিযোগ উঠল খোদ পুলিশের উপরে। সুত্রানুসারে জানা গেছে পুলিশ জবরদখল উচ্ছেদে সেদিন বস্তিতে অভিযান চালায়।
পুলিশের তরফ থেকে বয়ানে জানানো হয় ” আমরা জবরদখল উচ্ছেদ করবার সময় কিছু অপরিচিত দুরাচারী কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে পালিয়ে যান”।
পিটিআই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিগত ৭ তারিখে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এবং স্থানীয় পুলিশের যৌথ উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঠিক পরেই বস্তিতে আগুন লেগে যায়।
কিভাবে আগুন লেগেছিল ,কে বা কারা এই ঘটনায় জড়িত এই নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে ।এ মর্মে কোন উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ মেলেনি। বিশাল মাত্রায় চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একজন মুসলিম ব্যাক্তি সরাসরি পুলিশকেই আগুন লাগানোর জন্য দায়ি করেছে ।
আসল দোষীদের কোন শাস্তি না দিয়েই সন্দেহের বশে ছয়জন মুসলিম ব্যাক্তিকে আটক করেছে পুলিশ এমনটা অভিযোগও উঠেছে । ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের তরফে এখন অবধি কোন উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমাজকর্মীরা প্রসাশন এবং সংবাদমাধ্যম উভয়ের উপরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ মেমারি খাঁড়ো যুবক সংঘের উদ্যোগে  বিধায়ক মানব গুহ’কে সংবর্ধনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যোগী রাজ্যে জবরদখল উচ্ছেদ অভিযানের নামে পোড়ানো হল ২০০ মুসলিম ঝুপড়ি

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৯, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন । চারিদিকে চলছে মানুষের ছোটাছুটি। কালো ঘন ধুয়োয় ভরে গেছে চারিদিক। পুড়ছে দুই শতাধিক ঝুপড়ি ।ঘটনাটি ঘটেছে খোদ উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের
মিরাট জেলায়। মাছেরান বস্তির দুইশত মুসলিম পরিবারের ঘর পোড়ানোর অভিযোগ উঠল খোদ পুলিশের উপরে। সুত্রানুসারে জানা গেছে পুলিশ জবরদখল উচ্ছেদে সেদিন বস্তিতে অভিযান চালায়।
পুলিশের তরফ থেকে বয়ানে জানানো হয় ” আমরা জবরদখল উচ্ছেদ করবার সময় কিছু অপরিচিত দুরাচারী কিছু বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে পালিয়ে যান”।
পিটিআই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিগত ৭ তারিখে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এবং স্থানীয় পুলিশের যৌথ উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঠিক পরেই বস্তিতে আগুন লেগে যায়।
কিভাবে আগুন লেগেছিল ,কে বা কারা এই ঘটনায় জড়িত এই নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে ।এ মর্মে কোন উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ মেলেনি। বিশাল মাত্রায় চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একজন মুসলিম ব্যাক্তি সরাসরি পুলিশকেই আগুন লাগানোর জন্য দায়ি করেছে ।
আসল দোষীদের কোন শাস্তি না দিয়েই সন্দেহের বশে ছয়জন মুসলিম ব্যাক্তিকে আটক করেছে পুলিশ এমনটা অভিযোগও উঠেছে । ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের তরফে এখন অবধি কোন উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমাজকর্মীরা প্রসাশন এবং সংবাদমাধ্যম উভয়ের উপরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।