২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে

মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে

নতুন গতি, মালদা : হাজার-হাজার শ্রমিক এখনও রয়েছে ভিন রাজ্যে। লকডাউনের ফলে ঘরের মধ্যেই আটকে পড়ে রয়েছেন মালদার শ্রমিকেরা। জেলার বিভিন্ন এলাকার শ্রমিকেরা ফিরে এলেও এখনও মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে। এদিকে, তাঁরা ঘরবন্দি থাকার ফলে অভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন তাঁদের কেউ কেউ। বাইরে তাঁরা বেরোতে পারছেন না। এই অবস্থায় ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ালেন এক সমাজসেবী তথা মোথাবাড়ি এলাকার তৃণমূল নেতা নজরুল ইসলাম। তিনি এই শ্রমিক দের কথা শোনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। তাতে ভিন রাজ্যের শ্রমিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার অন্যান্য সহৃদয় ব্যক্তিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে থাকেন। যে যেমন পারেন আর্থিক সাহায্য করতে থাকেন। নজরুলবাবু নিজেও বেশ কিছু টাকা দিয়ে ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের সাহায্য করছেন। তাঁদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে মোথাবাড়ির বাঙ্গিটোলা বাড়িতে বসেই টাকা পাঠাচ্ছেন মোহাম্মদ নজরুলবাবু। ভিনরাজ্যে থাকা মজিবুর রহমান, শেখ কামাল, সফিকুল ইসলাম বলেন,‘‌আমরা কেউ বাইরে বেরোতে পারছি না। পুলিশ মারধর করছে বাইরে। ৮দিন ধরে এই অবস্থায় পড়ে রয়েছি। কিছুই খাবার জুটছে না। আমরা এখন বাঁচতে চাই।’‌ একটি ভিডিও পোস্ট করে তাঁরা তাঁদের বক্তব্য জানিয়েছেন। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো নজরুল ইসলাম বলেন,‘‌আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমার সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ্রমিকেরা যোগাযোগ শুরু করেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অ্যাকাউন্টে কিছু কিছু করে টাকা পাঠাই। তাঁদের কাউকে ২ হাজার টাকা, কাউকে ৩হাজার টাকা, কাউকেবা ৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছি। এরকম প্রায় ৫০০ শ্রমিককে আমরা আর্থিক সাহায্য করতে পেরেছি। দল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে পাঠিয়েছি। তিনি আরও বলেন,‘‌আমরা আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে এ জন্য ধন্যবাদ জানাই ১৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে রাজ্যের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু কিছুজনের কাছে সাহায্য পৌঁছয় নি। আমরা তাঁদের খুঁজে বের করে আর্থিক সাহায্য করছি। এই মুহুর্তে তাঁদের বাড়িতে আসার কোনও সম্ভাবনাও নেই। আতঙ্কিত পরিবারগুলির পাশেও গিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে।’‌

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার

মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে

নতুন গতি, মালদা : হাজার-হাজার শ্রমিক এখনও রয়েছে ভিন রাজ্যে। লকডাউনের ফলে ঘরের মধ্যেই আটকে পড়ে রয়েছেন মালদার শ্রমিকেরা। জেলার বিভিন্ন এলাকার শ্রমিকেরা ফিরে এলেও এখনও মোথাবাড়ি এলাকার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক রয়েছেন ভিনরাজ্যে। এদিকে, তাঁরা ঘরবন্দি থাকার ফলে অভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন তাঁদের কেউ কেউ। বাইরে তাঁরা বেরোতে পারছেন না। এই অবস্থায় ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ালেন এক সমাজসেবী তথা মোথাবাড়ি এলাকার তৃণমূল নেতা নজরুল ইসলাম। তিনি এই শ্রমিক দের কথা শোনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। তাতে ভিন রাজ্যের শ্রমিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার অন্যান্য সহৃদয় ব্যক্তিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে থাকেন। যে যেমন পারেন আর্থিক সাহায্য করতে থাকেন। নজরুলবাবু নিজেও বেশ কিছু টাকা দিয়ে ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের সাহায্য করছেন। তাঁদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টে মোথাবাড়ির বাঙ্গিটোলা বাড়িতে বসেই টাকা পাঠাচ্ছেন মোহাম্মদ নজরুলবাবু। ভিনরাজ্যে থাকা মজিবুর রহমান, শেখ কামাল, সফিকুল ইসলাম বলেন,‘‌আমরা কেউ বাইরে বেরোতে পারছি না। পুলিশ মারধর করছে বাইরে। ৮দিন ধরে এই অবস্থায় পড়ে রয়েছি। কিছুই খাবার জুটছে না। আমরা এখন বাঁচতে চাই।’‌ একটি ভিডিও পোস্ট করে তাঁরা তাঁদের বক্তব্য জানিয়েছেন। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো নজরুল ইসলাম বলেন,‘‌আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আমার সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ্রমিকেরা যোগাযোগ শুরু করেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অ্যাকাউন্টে কিছু কিছু করে টাকা পাঠাই। তাঁদের কাউকে ২ হাজার টাকা, কাউকে ৩হাজার টাকা, কাউকেবা ৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছি। এরকম প্রায় ৫০০ শ্রমিককে আমরা আর্থিক সাহায্য করতে পেরেছি। দল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে পাঠিয়েছি। তিনি আরও বলেন,‘‌আমরা আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে এ জন্য ধন্যবাদ জানাই ১৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে রাজ্যের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু কিছুজনের কাছে সাহায্য পৌঁছয় নি। আমরা তাঁদের খুঁজে বের করে আর্থিক সাহায্য করছি। এই মুহুর্তে তাঁদের বাড়িতে আসার কোনও সম্ভাবনাও নেই। আতঙ্কিত পরিবারগুলির পাশেও গিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে।’‌