২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

অসুস্থ এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগে তৃণমূলের এক কর্মী গ্রেফতার।

নূর আহমেদ, মেমারি : ২৮ নভেম্বর পুরনো শত্রুতার জেরে অসুস্থ এক ব্যক্তিকে লোহার রড শাবল দিয়ে ব্যাপক মারধরের অভিযোগে দুর্গাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গ্রেফতার এক তৃণমূল কর্মী। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত মেমারি এক নম্বর ব্লকের বাগিলা গ্রামের ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,ধৃত ঐ তৃণমূল কর্মীর নাম বকুল শেখ ওরফে শেখ সাইফুদ্দিন আহমেদ।বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর বাড়ি বাগিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাডাঙ্গা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত মাসের কুড়ি তারিখ বেলা বারোটা নাগাদ পুরনো শত্রুতার জেরে আক্রোশবশত পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতের লোহার রড শাবল বাঁশ লাঠি নিয়ে অভিযুক্ত বকুল শেখ নামের ওই তৃণমূল কর্মী বেশ কয়েকজনকে নিয়ে অসুস্থ দুর্গাডাঙ্গা গ্রামেরই বদরুল মল্লিক নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দিতে দিতে অসুস্থ বদরুল মল্লিক এর উপর চড়াও হয়ে অতর্কিত লোহার রড বাঁশ শাবল লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরের ফলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতর অবস্থায় জখম হয়। অসুস্থ বদরুল মল্লিকের বুকের ওপর বসে গলা টিপে ধরে বলেও অভিযোগ। তার স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাকেও মারধর করে বলে জানাই পুলিশ, পাশাপাশি অভিযুক্ত শেখ বকুল নামের ওই তৃণমূল কর্মী ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেয় বলে অভিযোগ।মেমোরি থানায় অভিযুক্তের নামে গত মাসের ২২ তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় মেমারি থানার পুলিশ নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং সোমবার ভোরে অভিযুক্ত কে দুর্গাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে মেমারি থানায় নিয়ে আসে সকালে এবং নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বর্ধমান আদালতে পেশ করে মেমারি থানার পুলিশ।

প্রসঙ্গত এই ঘটনার জেরে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ও দোসির শাস্তির দাবি জানিয়ে সিপিআইএম জেলা কমিটির নেতা সনৎ ব্যানার্জি প্রতিক্রিয়া দেন তিনি বলেন, দুর্গা ডাঙ্গা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের এই ধরনের গুন্ডাগিরি চলছে। এর বিরুদ্ধে আমরা পার্টির পক্ষ থেকে আমরা বারে বারে ওখানে পদযাত্রা সভা আমরা করেছি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা দেখলাম মানুষকে ওরা ভোট দিতে দিলো না আমরা দুর্গা ডাঙ্গা মানুষের এই বার্তায় পৌঁছে দিয়েছিলাম অনেক মানুষ ভাবছেন এই গণতন্ত্র নাকি সিপিআইএম এর গণতন্ত্র। ব্যাপারটা যে সিপিআইএমের মধ্যে থেমে থাকবে না দুর্গাডাঙ্গা গ্রামের মানুষেরও গণতন্ত্র থাকবে না লুট করবে তৃণমূল তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অসুস্থ সাধারন মানুষকেও ওরা বেধড়ক মারধর করেছে।ভালো দিক যে প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করেছে। তার উপযুক্ত শাস্তি হোক এটা আমরা চাই।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসুস্থ এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগে তৃণমূলের এক কর্মী গ্রেফতার।

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার

নূর আহমেদ, মেমারি : ২৮ নভেম্বর পুরনো শত্রুতার জেরে অসুস্থ এক ব্যক্তিকে লোহার রড শাবল দিয়ে ব্যাপক মারধরের অভিযোগে দুর্গাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গ্রেফতার এক তৃণমূল কর্মী। পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত মেমারি এক নম্বর ব্লকের বাগিলা গ্রামের ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,ধৃত ঐ তৃণমূল কর্মীর নাম বকুল শেখ ওরফে শেখ সাইফুদ্দিন আহমেদ।বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর বাড়ি বাগিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাডাঙ্গা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত মাসের কুড়ি তারিখ বেলা বারোটা নাগাদ পুরনো শত্রুতার জেরে আক্রোশবশত পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতের লোহার রড শাবল বাঁশ লাঠি নিয়ে অভিযুক্ত বকুল শেখ নামের ওই তৃণমূল কর্মী বেশ কয়েকজনকে নিয়ে অসুস্থ দুর্গাডাঙ্গা গ্রামেরই বদরুল মল্লিক নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দিতে দিতে অসুস্থ বদরুল মল্লিক এর উপর চড়াও হয়ে অতর্কিত লোহার রড বাঁশ শাবল লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরের ফলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতর অবস্থায় জখম হয়। অসুস্থ বদরুল মল্লিকের বুকের ওপর বসে গলা টিপে ধরে বলেও অভিযোগ। তার স্ত্রী বাধা দিতে এলে তাকেও মারধর করে বলে জানাই পুলিশ, পাশাপাশি অভিযুক্ত শেখ বকুল নামের ওই তৃণমূল কর্মী ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেয় বলে অভিযোগ।মেমোরি থানায় অভিযুক্তের নামে গত মাসের ২২ তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় মেমারি থানার পুলিশ নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং সোমবার ভোরে অভিযুক্ত কে দুর্গাডাঙ্গা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে মেমারি থানায় নিয়ে আসে সকালে এবং নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বর্ধমান আদালতে পেশ করে মেমারি থানার পুলিশ।

প্রসঙ্গত এই ঘটনার জেরে তীব্র নিন্দা জানিয়ে ও দোসির শাস্তির দাবি জানিয়ে সিপিআইএম জেলা কমিটির নেতা সনৎ ব্যানার্জি প্রতিক্রিয়া দেন তিনি বলেন, দুর্গা ডাঙ্গা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের এই ধরনের গুন্ডাগিরি চলছে। এর বিরুদ্ধে আমরা পার্টির পক্ষ থেকে আমরা বারে বারে ওখানে পদযাত্রা সভা আমরা করেছি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমরা দেখলাম মানুষকে ওরা ভোট দিতে দিলো না আমরা দুর্গা ডাঙ্গা মানুষের এই বার্তায় পৌঁছে দিয়েছিলাম অনেক মানুষ ভাবছেন এই গণতন্ত্র নাকি সিপিআইএম এর গণতন্ত্র। ব্যাপারটা যে সিপিআইএমের মধ্যে থেমে থাকবে না দুর্গাডাঙ্গা গ্রামের মানুষেরও গণতন্ত্র থাকবে না লুট করবে তৃণমূল তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অসুস্থ সাধারন মানুষকেও ওরা বেধড়ক মারধর করেছে।ভালো দিক যে প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করেছে। তার উপযুক্ত শাস্তি হোক এটা আমরা চাই।