০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বান্ধবীর চুলেই শেষ পর্যন্ত জয় হলো তাঁর

আনজুম মুনির: একেই বলে প্রযুক্তির ঝামেলা। মাথায় চুল না থাকলে মুখের আদলটাই বদলে যায়। মানুষ চিনে উঠতে পারলেও প্রযুক্তির অত ক্ষমতা নেই। আর তাই তেলেঙ্গানার এক শ্রমিকের মুখ কিছুতেই ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপ চিনতে পারছিল না। কিন্তু তৎক্ষণাৎ দুরন্ত আইডিয়া জেগে উঠল তাঁর মনে। পাশে থাকা মহিলা সহকর্মীর চুল দিয়েই ঢেকে ফেললেন কামানো মাথা।

জানা যাচ্ছে, মাহবুবাবাদ জেলায় সম্প্রতি একশো দিনের কাজের ক্ষেত্রে ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপের ব্যবহার কার্যকর করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনও শ্রমিক হাজিরা দেওয়ার সময় তাঁকে ওই অ্যাপে মুখ দেখিয়ে নিজেকে চেনাতে হবে। কিন্তু শ্রীনিবাস নামের ওই শ্রমিক ভাবতেও পারেননি চুল কেটে নেড়া হওয়ায় তাঁকে কী আতান্তরে পড়তে হবে! আসলে মন্দিরে গিয়ে নিজের চুল উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। আর তারপর এসেছিলেন কাজে। কিন্তু প্রযুক্তির ‘চোখে’ হয়ে উঠলেন অচেনা।

যতবারই সুপারভাইজার তাঁর অ্যাটেন্ডেন্স নিতে যাচ্ছেন, অ্যাপ অস্বীকার করতে লাগল! স্বাভাবিক ভাবেই এমন এক পরিস্থিতিতে কেবল শ্রীনিবাসই নন, সুপারভাইজারও গলদঘর্ম হয়ে উঠছিলেন। শেষে মুশকিল আসান হয়ে উঠলেন শ্রীনিবাসেরই এক সহকর্মী মহিলা। তিনি এগিয়ে এলেন। আর তাঁর চুল এমনভাবে মেলে ধরলেন শ্রীনিবাসের মাথায়, যেন তা শ্রীনিবাসেরই চুল! আর এবার দেখা গেল, অ্যাপটি চিনতে পেরে গিয়েছে তাঁকে! ফলে উপস্থিতিতে ‘টিক’ দিতে সে রাজি! দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় শ্রীনিবাসের এই ‘কাণ্ড’। অনেকেই মজা পেয়েছেন। আবার সম্ভাব্য ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো সামনে চলে এসেছে এই ঘটনায়। এই ধরনের অ্যাপের কার্যকারিতা তাহলে কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে রথবাড়ি এলাকায় মাইকিং

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বান্ধবীর চুলেই শেষ পর্যন্ত জয় হলো তাঁর

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির: একেই বলে প্রযুক্তির ঝামেলা। মাথায় চুল না থাকলে মুখের আদলটাই বদলে যায়। মানুষ চিনে উঠতে পারলেও প্রযুক্তির অত ক্ষমতা নেই। আর তাই তেলেঙ্গানার এক শ্রমিকের মুখ কিছুতেই ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপ চিনতে পারছিল না। কিন্তু তৎক্ষণাৎ দুরন্ত আইডিয়া জেগে উঠল তাঁর মনে। পাশে থাকা মহিলা সহকর্মীর চুল দিয়েই ঢেকে ফেললেন কামানো মাথা।

জানা যাচ্ছে, মাহবুবাবাদ জেলায় সম্প্রতি একশো দিনের কাজের ক্ষেত্রে ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপের ব্যবহার কার্যকর করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনও শ্রমিক হাজিরা দেওয়ার সময় তাঁকে ওই অ্যাপে মুখ দেখিয়ে নিজেকে চেনাতে হবে। কিন্তু শ্রীনিবাস নামের ওই শ্রমিক ভাবতেও পারেননি চুল কেটে নেড়া হওয়ায় তাঁকে কী আতান্তরে পড়তে হবে! আসলে মন্দিরে গিয়ে নিজের চুল উৎসর্গ করেছিলেন তিনি। আর তারপর এসেছিলেন কাজে। কিন্তু প্রযুক্তির ‘চোখে’ হয়ে উঠলেন অচেনা।

যতবারই সুপারভাইজার তাঁর অ্যাটেন্ডেন্স নিতে যাচ্ছেন, অ্যাপ অস্বীকার করতে লাগল! স্বাভাবিক ভাবেই এমন এক পরিস্থিতিতে কেবল শ্রীনিবাসই নন, সুপারভাইজারও গলদঘর্ম হয়ে উঠছিলেন। শেষে মুশকিল আসান হয়ে উঠলেন শ্রীনিবাসেরই এক সহকর্মী মহিলা। তিনি এগিয়ে এলেন। আর তাঁর চুল এমনভাবে মেলে ধরলেন শ্রীনিবাসের মাথায়, যেন তা শ্রীনিবাসেরই চুল! আর এবার দেখা গেল, অ্যাপটি চিনতে পেরে গিয়েছে তাঁকে! ফলে উপস্থিতিতে ‘টিক’ দিতে সে রাজি! দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় শ্রীনিবাসের এই ‘কাণ্ড’। অনেকেই মজা পেয়েছেন। আবার সম্ভাব্য ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো সামনে চলে এসেছে এই ঘটনায়। এই ধরনের অ্যাপের কার্যকারিতা তাহলে কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।