২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গরমের হাত থেকে রেহাই নেই পাহাড়েরও

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাহাড়েও গরম ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। গরমের হাত থেকে রেহাই নেই পাহাড়েরও।তাপমাত্রা চলে গেছে প্রায় উনত্রিশ ডিগ্রীতে। যার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকেরা।এত গরম দার্জিলিং এ শেষ কবে পড়েছে বলতে পারছেন না দার্জিলিং এর প্রবীন মানুষেরাও। পাহাড়ের অধিকাংশ ঘরে রিতিমতো পাখা চলছে।হোটেলগুলিতেও একই অবস্থা।যার ফলে সময়ের আগেই পাহাড় ছেড়ে দিচ্ছেন পর্যটকেরা। গত সাত দিনে পাহাড়ের তাপমাত্রা সাতাশ থেকে উনত্রিশ ডিগ্রীতে ঘোরাফেরা করেছে যা পাহাড়ের পরিচিতি হিসাবে প্রায় ভাবাই যায় না।যার কারনে পাহাড়ে থাকতে চাইছেন না কেউই। মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিং এ এসে অন্যান্যবার যেমন গায়ে চাদর দিতেন এবার কিছুই গায়ে না দিয়ে কাটিয়ে দিয়েছিলেন গোটা তিনদিন। পাহাড়ে জুন এবং জুলাইতে তাপমাত্রা একুশ হয় সর্বোচ্চ।সেখানে এবারে পাহাড়ের তাপমাত্রা বেড়ে প্রায় তিরিশ ছুইছুই। গায়ে প্রায় কারোরই সোয়েটার নেই,ঘুম কিংবা ম্যালে সকাল থেকেই ভীড় লেগে থাকত এখন একদম ফাকা দুটো জায়গাতেই। বহু পর্যটক পাহাড়ের হোটেল বুক করেও বাতিল করে দিয়েছেন পাহাড়ের এই আবহওয়ার জন্য। যার কারনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঠিক থাকলেও আবহওয়ার জন্য মার খাচ্ছে পাহাড়ের পর্যটন। এত গরম পাহাড়ের মানুষের কাছে অবাক করার মতন যার কারনে তারা কোনদিন পাহাড়ে এতটা গরম অনুভব করেন নি। একেবারে অন্য কারনে পাহাড়ে ভীড় নেই পর্যটকদের সেটা চিন্তা করেই কিছুটা হতাশ পাহাড়ের হোটেল মালিকেরা। দার্জিলিং এ বেড়াতে এসে আবহওয়া দেখে সিকিম কিংবা তার উপরে চলে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। যার কারনে পাহাড়ের হোটেল ব্যাবসায়ীরা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন।তারা জানিয়েছেন পূজোর বুকিং শুরু হয়ে গেছে।তখন যদি এই ধরনের আবহওয়া থাকে তবে গোটা বছরটাই মার খাবেন তারা।

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গরমের হাত থেকে রেহাই নেই পাহাড়েরও

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২২, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাহাড়েও গরম ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। গরমের হাত থেকে রেহাই নেই পাহাড়েরও।তাপমাত্রা চলে গেছে প্রায় উনত্রিশ ডিগ্রীতে। যার ফলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ফিরে যাচ্ছেন পর্যটকেরা।এত গরম দার্জিলিং এ শেষ কবে পড়েছে বলতে পারছেন না দার্জিলিং এর প্রবীন মানুষেরাও। পাহাড়ের অধিকাংশ ঘরে রিতিমতো পাখা চলছে।হোটেলগুলিতেও একই অবস্থা।যার ফলে সময়ের আগেই পাহাড় ছেড়ে দিচ্ছেন পর্যটকেরা। গত সাত দিনে পাহাড়ের তাপমাত্রা সাতাশ থেকে উনত্রিশ ডিগ্রীতে ঘোরাফেরা করেছে যা পাহাড়ের পরিচিতি হিসাবে প্রায় ভাবাই যায় না।যার কারনে পাহাড়ে থাকতে চাইছেন না কেউই। মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিং এ এসে অন্যান্যবার যেমন গায়ে চাদর দিতেন এবার কিছুই গায়ে না দিয়ে কাটিয়ে দিয়েছিলেন গোটা তিনদিন। পাহাড়ে জুন এবং জুলাইতে তাপমাত্রা একুশ হয় সর্বোচ্চ।সেখানে এবারে পাহাড়ের তাপমাত্রা বেড়ে প্রায় তিরিশ ছুইছুই। গায়ে প্রায় কারোরই সোয়েটার নেই,ঘুম কিংবা ম্যালে সকাল থেকেই ভীড় লেগে থাকত এখন একদম ফাকা দুটো জায়গাতেই। বহু পর্যটক পাহাড়ের হোটেল বুক করেও বাতিল করে দিয়েছেন পাহাড়ের এই আবহওয়ার জন্য। যার কারনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঠিক থাকলেও আবহওয়ার জন্য মার খাচ্ছে পাহাড়ের পর্যটন। এত গরম পাহাড়ের মানুষের কাছে অবাক করার মতন যার কারনে তারা কোনদিন পাহাড়ে এতটা গরম অনুভব করেন নি। একেবারে অন্য কারনে পাহাড়ে ভীড় নেই পর্যটকদের সেটা চিন্তা করেই কিছুটা হতাশ পাহাড়ের হোটেল মালিকেরা। দার্জিলিং এ বেড়াতে এসে আবহওয়া দেখে সিকিম কিংবা তার উপরে চলে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। যার কারনে পাহাড়ের হোটেল ব্যাবসায়ীরা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন।তারা জানিয়েছেন পূজোর বুকিং শুরু হয়ে গেছে।তখন যদি এই ধরনের আবহওয়া থাকে তবে গোটা বছরটাই মার খাবেন তারা।