মালদা: তদন্ত হয়েছে, প্রশাসনে রদবদল হয়েছে, জারি হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। তবু মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর উদ্বেগ কাটল না। চলতি মাসের ২৪ তারিখেই মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন শিশুর। একদিনে সর্বাধিক পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে ফের বড় প্রশ্ন—এত পদক্ষেপের পরও শিশুমৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না কেন?
অগস্টের ২৭ তারিখ পর্যন্ত মালদা মেডিকেলে ৮৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ২৯ অগস্ট শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে হাসপাতালে আসে স্বাস্থ্য ভবনের প্রতিনিধি দল। পরিস্থিতির জেরে ৫ সেপ্টেম্বর মালদা মেডিকেলের সুপার-সহ শিশু বিভাগের প্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য ভবন। সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয় হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের প্রধান গণেশচন্দ্র গাইনকে। শিশুমৃত্যু কমাতে জারি হয় একাধিক নির্দেশিকাও।
এরপর কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছিল মৃত্যুর গ্রাফ। কিন্তু চলতি মাসের ৫৫ মৃত্যুর পরিসংখ্যান ফের সেই উদ্বেগই সামনে এনে দিয়েছে। মেডিকেল সুপার গণেশচন্দ্র গাইন জানান, মৃত ৫৫ শিশুর মধ্যে ৩৫ জনই অপুষ্ট ছিল। তাঁর বক্তব্য, নাবালিকা অবস্থায় গর্ভধারণের জেরে বহু ক্ষেত্রেই অপুষ্ট শিশুর জন্ম হচ্ছে।
তাহলে প্রশ্ন উঠছে, শিশুমৃত্যুর কারণ চিহ্নিত হওয়ার পরও প্রতিরোধে ঘাটতি কোথায়? হাসপাতাল থেকে প্রশাসন—দায়িত্বশীলতার প্রতিটি স্তরে নজরদারি কতটা কার্যকর, ৫৫ শিশুর মৃত্যু ফের সেই প্রশ্নই সামনে এনে দিয়েছে।
নতুন গতি 



























