২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সাবমার্শাল বসানোর কাজে মাটির ২৮০ মিটার নীচ থেকে উঠে এল কয়লা

বামনগোলা ; ১৯ নভেম্বর : গ্রামে চলছিল সাবমার্শাল বসানোর কাজ। সেই সময় মাটির ২৮০ মিটার নীচ থেকে উঠে এল কয়লা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বামনগোলা ব্লকের পাকুয়াহাট অঞ্চলের সিসকুড়ি গ্রামে। এই ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সাবমার্শাল বসানোর কাজ।

সিসকুড়ি গ্রামের সনাতন রায় নিজের বাড়িতে একটি সাবমার্শাল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার কাজও শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি জানান, পাইপ বসানোর সময় মাটির ২৮০ মিটার গভীর থেকে হঠাৎ কয়লা উঠে আসতে শুরু করে। তার জেরে পাইপ বসানোর কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। আমি চাই, বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখুক। তাহলে আসল বিষয়টি কী, তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সাব মার্সিবলের পাইপ বসানোর মিস্ত্রি শম্ভু মহালদার জানাচ্ছেন, কাজ ঠিকভাবেই চলছিল। ২৮০ মিটার গভীর পর্যন্ত পাইপ বসানোও হয়ে গিয়েছিল। তখনই কয়লার মতো কিছু বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ওই গভীরতায় কোনও বালি পাওয়া যায়নি। তাই এই জায়গার পরিবর্তে এখন অন্য জায়গায় বোরিং করছি। তবে এটা সত্যই এসব কয়লা কিনা তা পরীক্ষার পরেই জানা যাবে।

যদিও এনিয়ে বামনগোলার বিডিও রাজু কুণ্ডুর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সাবমার্শাল বসানোর কাজে মাটির ২৮০ মিটার নীচ থেকে উঠে এল কয়লা

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার

বামনগোলা ; ১৯ নভেম্বর : গ্রামে চলছিল সাবমার্শাল বসানোর কাজ। সেই সময় মাটির ২৮০ মিটার নীচ থেকে উঠে এল কয়লা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বামনগোলা ব্লকের পাকুয়াহাট অঞ্চলের সিসকুড়ি গ্রামে। এই ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সাবমার্শাল বসানোর কাজ।

সিসকুড়ি গ্রামের সনাতন রায় নিজের বাড়িতে একটি সাবমার্শাল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার কাজও শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি জানান, পাইপ বসানোর সময় মাটির ২৮০ মিটার গভীর থেকে হঠাৎ কয়লা উঠে আসতে শুরু করে। তার জেরে পাইপ বসানোর কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। আমি চাই, বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখুক। তাহলে আসল বিষয়টি কী, তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সাব মার্সিবলের পাইপ বসানোর মিস্ত্রি শম্ভু মহালদার জানাচ্ছেন, কাজ ঠিকভাবেই চলছিল। ২৮০ মিটার গভীর পর্যন্ত পাইপ বসানোও হয়ে গিয়েছিল। তখনই কয়লার মতো কিছু বেরিয়ে আসতে শুরু করে। ওই গভীরতায় কোনও বালি পাওয়া যায়নি। তাই এই জায়গার পরিবর্তে এখন অন্য জায়গায় বোরিং করছি। তবে এটা সত্যই এসব কয়লা কিনা তা পরীক্ষার পরেই জানা যাবে।

যদিও এনিয়ে বামনগোলার বিডিও রাজু কুণ্ডুর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।