আনজুম মুনির, উত্তর ২৪ পরগনা: দীর্ঘদিনের বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আবার তিনিই ছিলেন সংসদে তৃণমূলের মুখ্য সচেতক। হঠাৎ মমতা কাকলিকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় বসান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এতেই শুরু হয় সমস্যা। লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের পদ হারানোর পর ‘চার দশকের আনুগত্য’-র ফেসবুক পোস্ট ঘিরে যে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
তার মধ্যেই এবার নতুন করে চর্চায় বারাসতের সাংসদ ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সূত্রের খবর, ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় সিআইএসএফের নিরাপত্তা পাচ্ছেন তিনি। আর সেই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই। ২০০৯ সাল থেকে টানা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তৃণমূলের পরিচিত মুখ। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের নেত্রী হিসাবে পরিচিত ছিলেন তিনি। দিল্লির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও তাঁর যোগাযোগ যথেষ্ট পুরনো বলেই জানা যায়।
এরই মধ্যে গত ১৫ মে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদদের বৈঠকের পর লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরানো হয় কাকলিকে। তাঁর জায়গায় ফেরানো হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সিদ্ধান্তের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে কার্যত বিস্ফোরক পোস্ট করেন কাকলি। নিজের ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’
নতুন গতি 
















