২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে , বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে শান্তিপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ডাকে বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা

শরীফুল ইসলাম, নতুন গতি:

“বর্তমান ভারতবর্ষের শাসন যন্ত্র বিজেপি নামক এমন একটি বর্বর শক্তির হাতে যাঁরা দেশের সার্বিক উন্নয়নের পরিবর্তে মন্দির-মসজিদ, ধর্ম -বর্ণ বিভেদের রাজ নীতি কে অবলম্বন করে দেশের মানুষ কে বিপথে পরিচালিত করছে। এই ভাবে বিজেপির নেতৃত্বে দেশ চললে আগামী দিনে গর্বের ভারতবর্ষ তার ইতিহাস ঐতিহ্য হারাবে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ,সামাজিক দিক থেকে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ক্ষেত্রে গুরুত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে । তাই আগামী দিনে বিজেপি কে কেন্দ্র থেকে উচ্ছেদ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অসাম্প্রদায়িক, জনকল্যাণমুখী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার মূর্তপ্রতীক জনদরদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাময়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ১৯ শে’ জানুয়ারীর বিগ্রেড সমাবেশ কার্যত জনতার সমুদ্রে পরিণত করা চাই । দেশের ঐতিহ্য , উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণে মমতাই হবে আমাদের আগামী ভারতের দিশা।
সংসার বড় হলে সমস্যা আসে। সমস্যা, অভিমান ভুলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে
দেশের আম জনতার কল্যাণের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত কে শক্ত করতে , তার দল তৃণমূল কংগ্রেস কে শক্তিশালী করতে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে তৃণমূলের সৈনিক হিসাবে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে অঙ্গীকার করুন আমরা, এক সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে
১৯ শে , জানুয়ারি বিগ্রেড সমাবেশে শান্তিপুর থেকে ৮: ৩০ এর ট্রেনে দলে দলে বিগ্রেড যাবো।”

–এই আহ্বান করেন দলের কর্মী , সমর্থক ও দরদীদের উদ্দেশ্যে রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক , শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য।

আজ, মঙ্গলবার, শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে , বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে শান্তিপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ডাকে বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা ছিল ।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলা সভাপতি গৌরী শংকর দত্ত, রানাঘাটের বিধায়ক শংকর সিং, এম,পি তাপস মন্ডল , জেলাপরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রীসভার নবনিযুক্ত সদস্য রত্না ঘোষ, বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস ও দলের অন্যান্য নেতৃত্ব।

সকলেই তাঁদের বক্তব্যে , কেন্দ্রে সাম্প্রদায়িক বিজেপির বর্তমান দেশ বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের কথা বলেন । শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য এবং চেয়ারম্যান অজয় দে কে পারস্পরিক ইগো পরিত্যাগ করে দলের স্বার্থে উভয় কে একসঙ্গে চলার কথা বলেন।

সভাটি পরিচালনা করেন শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারমান অজয়দে।

বিকালের প্রস্তুতি সভার আগে, সকালে শান্তিপুর বিধান সভা তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ বেদিতে মাল‍্যদানের এক অনুষ্ঠান হয়।
“তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়” শীর্ষক এক আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়।” বক্তা ছিলেন , বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য ও শঙ্করী প্রসাদ ভট্টাচার্য্য ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শান্তিপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরবিন্দ মৈত্র।

রাজনগরে উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার পচাগলা দেহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে , বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে শান্তিপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ডাকে বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা

আপডেট : ১ জানুয়ারী ২০১৯, মঙ্গলবার

শরীফুল ইসলাম, নতুন গতি:

“বর্তমান ভারতবর্ষের শাসন যন্ত্র বিজেপি নামক এমন একটি বর্বর শক্তির হাতে যাঁরা দেশের সার্বিক উন্নয়নের পরিবর্তে মন্দির-মসজিদ, ধর্ম -বর্ণ বিভেদের রাজ নীতি কে অবলম্বন করে দেশের মানুষ কে বিপথে পরিচালিত করছে। এই ভাবে বিজেপির নেতৃত্বে দেশ চললে আগামী দিনে গর্বের ভারতবর্ষ তার ইতিহাস ঐতিহ্য হারাবে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ,সামাজিক দিক থেকে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ক্ষেত্রে গুরুত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে । তাই আগামী দিনে বিজেপি কে কেন্দ্র থেকে উচ্ছেদ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অসাম্প্রদায়িক, জনকল্যাণমুখী সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার মূর্তপ্রতীক জনদরদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাময়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ১৯ শে’ জানুয়ারীর বিগ্রেড সমাবেশ কার্যত জনতার সমুদ্রে পরিণত করা চাই । দেশের ঐতিহ্য , উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণে মমতাই হবে আমাদের আগামী ভারতের দিশা।
সংসার বড় হলে সমস্যা আসে। সমস্যা, অভিমান ভুলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে
দেশের আম জনতার কল্যাণের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত কে শক্ত করতে , তার দল তৃণমূল কংগ্রেস কে শক্তিশালী করতে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে তৃণমূলের সৈনিক হিসাবে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে অঙ্গীকার করুন আমরা, এক সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে
১৯ শে , জানুয়ারি বিগ্রেড সমাবেশে শান্তিপুর থেকে ৮: ৩০ এর ট্রেনে দলে দলে বিগ্রেড যাবো।”

–এই আহ্বান করেন দলের কর্মী , সমর্থক ও দরদীদের উদ্দেশ্যে রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক , শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য।

আজ, মঙ্গলবার, শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে , বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে শান্তিপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ডাকে বিগ্রেড সমাবেশ উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা ছিল ।

প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলা সভাপতি গৌরী শংকর দত্ত, রানাঘাটের বিধায়ক শংকর সিং, এম,পি তাপস মন্ডল , জেলাপরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রীসভার নবনিযুক্ত সদস্য রত্না ঘোষ, বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস ও দলের অন্যান্য নেতৃত্ব।

সকলেই তাঁদের বক্তব্যে , কেন্দ্রে সাম্প্রদায়িক বিজেপির বর্তমান দেশ বিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের কথা বলেন । শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য এবং চেয়ারম্যান অজয় দে কে পারস্পরিক ইগো পরিত্যাগ করে দলের স্বার্থে উভয় কে একসঙ্গে চলার কথা বলেন।

সভাটি পরিচালনা করেন শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারমান অজয়দে।

বিকালের প্রস্তুতি সভার আগে, সকালে শান্তিপুর বিধান সভা তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ বেদিতে মাল‍্যদানের এক অনুষ্ঠান হয়।
“তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়” শীর্ষক এক আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়।” বক্তা ছিলেন , বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য ও শঙ্করী প্রসাদ ভট্টাচার্য্য ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শান্তিপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরবিন্দ মৈত্র।