২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ধর্ষিতা ছাত্রীর পরিবারের সাথে দেখা করলো এস.আই.ও’র প্রতিনিধি দল

মাহ্ফুজা তারান্নুম,কোলাঘাটঃ গত শুক্রবার কোলকাতা এস এস কে এম হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিল দশম শ্রেণির ছাত্রী রাখী সামন্ত।শোকাহত পরিবারের পাশে এখনো পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন না থাকলেও ছাত্র সংগঠন এস.আই.ও এব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেলো।আজ সংগঠনের প্রতিনিধি ডাঃ রিয়াজুদ্দিন ও সাজিদ ইমরান রাখী সামন্তের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছে।তাঁরা পুরো ঘটনা পরিবারের কাছে শুনেছে এবং এবিষয়ে যাবতীয় সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট অঞ্চলের নাবালিকা ছাত্রী রাখী সামন্ত তার প্রেমিক ও প্রেমিকের বন্ধুদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হয়। লজ্জায় কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর পরিবার তাকে তমলুক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে পরে এস এস কে এম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এবং সেখানেই সাতদিনের মাথায় ধর্ষিতার মৃত্যু হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন পলাতক, অন্য এক নাবালককে হোমে পাঠানো হয়েছে ও বাকি তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ধর্ষিতা ছাত্রীর পরিবারের সাথে দেখা করলো এস.আই.ও’র প্রতিনিধি দল

আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার

মাহ্ফুজা তারান্নুম,কোলাঘাটঃ গত শুক্রবার কোলকাতা এস এস কে এম হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিল দশম শ্রেণির ছাত্রী রাখী সামন্ত।শোকাহত পরিবারের পাশে এখনো পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন না থাকলেও ছাত্র সংগঠন এস.আই.ও এব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেলো।আজ সংগঠনের প্রতিনিধি ডাঃ রিয়াজুদ্দিন ও সাজিদ ইমরান রাখী সামন্তের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছে।তাঁরা পুরো ঘটনা পরিবারের কাছে শুনেছে এবং এবিষয়ে যাবতীয় সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট অঞ্চলের নাবালিকা ছাত্রী রাখী সামন্ত তার প্রেমিক ও প্রেমিকের বন্ধুদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হয়। লজ্জায় কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর পরিবার তাকে তমলুক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে পরে এস এস কে এম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এবং সেখানেই সাতদিনের মাথায় ধর্ষিতার মৃত্যু হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন পলাতক, অন্য এক নাবালককে হোমে পাঠানো হয়েছে ও বাকি তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।