১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

দ্বারকেশ্বর নদে ভেঙে পড়ল কংক্রিটের সেতু

নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্বারকেশ্বর নদের  জলের তোড়ে এবার ভেঙে পড়ল বাঁকুড়ার ভাদুল থেকে সুরপানগর যাওয়ার কংক্রিটের সেতু । গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকেই ওই কজওয়ে (causeway) অর্থাৎ কংক্রিটের সেতুর ওপর দিয়ে নদের জল বইতে শুরু করে। আজ সকালে সেই সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে যায়। ফলে ভাদুল থেকে সুরপানগরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

দ্বারকেশ্বর নদের এক পাড়ে রয়েছে বাঁকুড়া শহর। অন্য পাড়ে রয়েছে ভাদুল, সুরপানগর, সোনাতপল, বালিয়াড়া সহ দশ বারোটি গ্রাম। এই গ্রামগুলির মানুষজন বাজার হাট থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সহ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন নিয়মিত যাতায়াত করেন বাঁকুড়া শহরে।

বাঁকুড়া শহরের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করার সবজির একটা বড় অংশও আসে ওই গ্রামগুলি থেকে। যাতায়াতের সুবিধার জন্য আজ থেকে কয়েক বছর আগে ভাদুল ও সুরপানগরের মাঝে দ্বারকেশ্বর নদের ওপর দিয়ে একটি কজওয়ে অর্থাৎ কংক্রিটের ব্রিজ তৈরি করে দেয় রাজ্য সরকার। প্রতিবছর বর্ষায় সেই সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্ষা পেরোলেই ফের কজওয়ে মেরামতি করে তা দিয়ে যাতায়াত শুরু হয়।

চলতি বছরে এতদিন পর্যন্ত ওই কাজওয়ের ওপর দিয়ে যাতায়াত করছিলেন দারকেশ্বর নদের অপর প্রান্তে থাকা গ্রামের বাসিন্দারা। বুধবার থেকে বাঁকুড়ায় নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জল বাড়তে শুরু করে দ্বারকেশ্বর নদে। গতকাল দ্বারকেশ্বর নদের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই কজওয়ের একাংশ ডুবে যায়। আজ সকালে দেখা যায় ওই কজওয়ের একাংশ জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি কজওয়ে ভেঙে পড়ায় এখন বাধ্য হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাঁকুড়া শহরে তাঁদের যাতায়াত করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন ওই গ্রামগুলির বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, এই সমস্যার অবিলম্বে স্থায়ী সমাধান করা হোক। অবিলম্বে নদের ওপর ভাদুল ও সুরপানগরের মাঝে উঁচু পাকা সেতু তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দ্বারকেশ্বর নদে ভেঙে পড়ল কংক্রিটের সেতু

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২২, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্বারকেশ্বর নদের  জলের তোড়ে এবার ভেঙে পড়ল বাঁকুড়ার ভাদুল থেকে সুরপানগর যাওয়ার কংক্রিটের সেতু । গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকেই ওই কজওয়ে (causeway) অর্থাৎ কংক্রিটের সেতুর ওপর দিয়ে নদের জল বইতে শুরু করে। আজ সকালে সেই সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে যায়। ফলে ভাদুল থেকে সুরপানগরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

দ্বারকেশ্বর নদের এক পাড়ে রয়েছে বাঁকুড়া শহর। অন্য পাড়ে রয়েছে ভাদুল, সুরপানগর, সোনাতপল, বালিয়াড়া সহ দশ বারোটি গ্রাম। এই গ্রামগুলির মানুষজন বাজার হাট থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সহ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন নিয়মিত যাতায়াত করেন বাঁকুড়া শহরে।

বাঁকুড়া শহরের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করার সবজির একটা বড় অংশও আসে ওই গ্রামগুলি থেকে। যাতায়াতের সুবিধার জন্য আজ থেকে কয়েক বছর আগে ভাদুল ও সুরপানগরের মাঝে দ্বারকেশ্বর নদের ওপর দিয়ে একটি কজওয়ে অর্থাৎ কংক্রিটের ব্রিজ তৈরি করে দেয় রাজ্য সরকার। প্রতিবছর বর্ষায় সেই সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্ষা পেরোলেই ফের কজওয়ে মেরামতি করে তা দিয়ে যাতায়াত শুরু হয়।

চলতি বছরে এতদিন পর্যন্ত ওই কাজওয়ের ওপর দিয়ে যাতায়াত করছিলেন দারকেশ্বর নদের অপর প্রান্তে থাকা গ্রামের বাসিন্দারা। বুধবার থেকে বাঁকুড়ায় নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জল বাড়তে শুরু করে দ্বারকেশ্বর নদে। গতকাল দ্বারকেশ্বর নদের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই কজওয়ের একাংশ ডুবে যায়। আজ সকালে দেখা যায় ওই কজওয়ের একাংশ জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি কজওয়ে ভেঙে পড়ায় এখন বাধ্য হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাঁকুড়া শহরে তাঁদের যাতায়াত করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন ওই গ্রামগুলির বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, এই সমস্যার অবিলম্বে স্থায়ী সমাধান করা হোক। অবিলম্বে নদের ওপর ভাদুল ও সুরপানগরের মাঝে উঁচু পাকা সেতু তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।