২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যোগীর বিরোধী বিজেপির তিনশো বিধায়ক তাই রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টি, চাঞ্চল্যকর দাবি অখিলেশের

নতুন গতি ব্রেকিং নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যোগী কেবল নিজের চেয়ার বাঁচানোর জন্য লড়াই করছেন। কেননা দিনকয়েক আগেই নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছিলেন বিজেপির ২০০-র বেশি বিধায়ক। এই সংখ্যাই নাকি বেড়ে এখন ৩০০-র কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন অখিলেশ। আর সেই কারণেই বুঝে শুনে রাজ্যে অশান্তির অছিলায় জনগণের মনযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

আজ রবিবার লখনউয়ের সপা কার্যালয়ে এসে এক ভাষণ দেওয়ার সময় অখিলেশ বলেন, আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করা। সমাজে ভেদাভেদ বাড়িয়ে তার ফায়দা তোলার চেষ্টা যেভাবে বিজেপি করছে, তা রুখতেই হবে। কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান মেনে কাজ করে না বলেও মনে করেন তিনি।
অখিলেশের কথায়, দেশের অর্থব্যবস্থা যখন আইসিইউতে, দেশবাসীকে দেখানোর মতো কোনও কাজই নেই তাই নতুন আইন এনে সাম্প্রদায়িক ঝামেলা লাগানোই মূল বাসনা বিজেপির।

অখিলেশ আরো বলেন- সংখ্যালঘু জেলাগুলিকে নিশানা করে তাদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করছে যোগীর পুলিশ। তাই রাজ্যের কোন কোন জেলায় নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভে হিংসা হয়েছে এবং তাতে ক’জনের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে তা প্রকাশ্যে আনা উচিত সরকারের। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন একের পর এক পুলিশি অত্যাচারের ভিডিয়ো ভাইরাল হচ্ছে তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এমন মানুষ যিনি নিজের ওপর চলা মামলা তুলে নিয়ে চেয়ার বাঁচিয়ে যাচ্ছেন।

এদিনের সভা থেকে NRC, NPR ও CAA-র বিরুদ্ধে সুর চড়ান অখিলেশ। বলেন, আমরা সরকারকে কোনও কাগজ দেখাবো না। আমরা প্রত্যেকে এই দেশের নাগরিক। বিজেপির নেতারা বেকারত্ব আর অর্থব্যবস্থা থেকে নজর ঘোরাতেই এসব করে যাচ্ছে।

কোর্টপাড়ায় শোকের ছায়া! না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যোগীর বিরোধী বিজেপির তিনশো বিধায়ক তাই রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টি, চাঞ্চল্যকর দাবি অখিলেশের

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার

নতুন গতি ব্রেকিং নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যোগী কেবল নিজের চেয়ার বাঁচানোর জন্য লড়াই করছেন। কেননা দিনকয়েক আগেই নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছিলেন বিজেপির ২০০-র বেশি বিধায়ক। এই সংখ্যাই নাকি বেড়ে এখন ৩০০-র কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন অখিলেশ। আর সেই কারণেই বুঝে শুনে রাজ্যে অশান্তির অছিলায় জনগণের মনযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

আজ রবিবার লখনউয়ের সপা কার্যালয়ে এসে এক ভাষণ দেওয়ার সময় অখিলেশ বলেন, আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করা। সমাজে ভেদাভেদ বাড়িয়ে তার ফায়দা তোলার চেষ্টা যেভাবে বিজেপি করছে, তা রুখতেই হবে। কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান মেনে কাজ করে না বলেও মনে করেন তিনি।
অখিলেশের কথায়, দেশের অর্থব্যবস্থা যখন আইসিইউতে, দেশবাসীকে দেখানোর মতো কোনও কাজই নেই তাই নতুন আইন এনে সাম্প্রদায়িক ঝামেলা লাগানোই মূল বাসনা বিজেপির।

অখিলেশ আরো বলেন- সংখ্যালঘু জেলাগুলিকে নিশানা করে তাদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করছে যোগীর পুলিশ। তাই রাজ্যের কোন কোন জেলায় নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভে হিংসা হয়েছে এবং তাতে ক’জনের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে তা প্রকাশ্যে আনা উচিত সরকারের। সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন একের পর এক পুলিশি অত্যাচারের ভিডিয়ো ভাইরাল হচ্ছে তখন মুখ্যমন্ত্রী নিজে এমন মানুষ যিনি নিজের ওপর চলা মামলা তুলে নিয়ে চেয়ার বাঁচিয়ে যাচ্ছেন।

এদিনের সভা থেকে NRC, NPR ও CAA-র বিরুদ্ধে সুর চড়ান অখিলেশ। বলেন, আমরা সরকারকে কোনও কাগজ দেখাবো না। আমরা প্রত্যেকে এই দেশের নাগরিক। বিজেপির নেতারা বেকারত্ব আর অর্থব্যবস্থা থেকে নজর ঘোরাতেই এসব করে যাচ্ছে।