২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার বিভিন্ন দপ্তরের সুস্পষ্ট ভূমিকা নির্ধারণ

 

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ভূগর্ভস্থ জলের স্তর কমে যাওয়ায়, জল সংরক্ষণের জন্য রাজ্য জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর “জল ধরো জল ভরো” প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিভিন্ন প্রকল্পের ওপর জোর দিতে চলেছে। জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার বিভিন্ন দপ্তরের সুস্পষ্ট ভূমিকা নির্ধারণ করবে।

জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর জল সংরক্ষণের নোডাল দপ্তর হলেও জল সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকছে সেচ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরও।

গত আট বছরে প্রায় ১৩,৯৪৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে লাল মাটির জেলাগুলির জন্য। ৯০০টি জল সংরক্ষণের ট্যাঙ্ক, ২৮৭টি চেক ড্যাম তৈরী করা হয়েছে জল সংরক্ষণের জন্য। এই প্রকল্পের মধ্যে ১৪১টি সৌর বিদ্যুৎ চালিত। ১২,৬০০টি অন্যান্য প্রকল্প আছে নদীর জলের মাধ্যমে সেচ ও টিউবওয়েল বসানো ইত্যাদি।

৩৬০০টি প্রকল্প চলছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তায়। এই প্রকল্পের নাম West Bengal Accelerated Development of Minor Irrigation।

২০১৫ সালে লাল মাটির জেলাগুলির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সূচনা করা ‘জলতীর্থ’ প্রকল্পের থেকে অনেক সহায়তা পেয়েছে ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্প। বিভিন্ন পুকুর, ট্যাঙ্ক খনন ও তৈরী করা হয়েছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যাতে এই জল বাষ্প হয়ে উড়ে না যায়।

সর্বাধিক পাঠিত

ইভিএম বিতর্কে উত্তপ্ত খয়রাশোল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জখম জওয়ান, গ্রেপ্তার ৩

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার বিভিন্ন দপ্তরের সুস্পষ্ট ভূমিকা নির্ধারণ

আপডেট : ১২ অগাস্ট ২০১৯, সোমবার

 

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ভূগর্ভস্থ জলের স্তর কমে যাওয়ায়, জল সংরক্ষণের জন্য রাজ্য জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর “জল ধরো জল ভরো” প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিভিন্ন প্রকল্পের ওপর জোর দিতে চলেছে। জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার বিভিন্ন দপ্তরের সুস্পষ্ট ভূমিকা নির্ধারণ করবে।

জল সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর জল সংরক্ষণের নোডাল দপ্তর হলেও জল সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকছে সেচ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরও।

গত আট বছরে প্রায় ১৩,৯৪৫টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে লাল মাটির জেলাগুলির জন্য। ৯০০টি জল সংরক্ষণের ট্যাঙ্ক, ২৮৭টি চেক ড্যাম তৈরী করা হয়েছে জল সংরক্ষণের জন্য। এই প্রকল্পের মধ্যে ১৪১টি সৌর বিদ্যুৎ চালিত। ১২,৬০০টি অন্যান্য প্রকল্প আছে নদীর জলের মাধ্যমে সেচ ও টিউবওয়েল বসানো ইত্যাদি।

৩৬০০টি প্রকল্প চলছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তায়। এই প্রকল্পের নাম West Bengal Accelerated Development of Minor Irrigation।

২০১৫ সালে লাল মাটির জেলাগুলির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সূচনা করা ‘জলতীর্থ’ প্রকল্পের থেকে অনেক সহায়তা পেয়েছে ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্প। বিভিন্ন পুকুর, ট্যাঙ্ক খনন ও তৈরী করা হয়েছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যাতে এই জল বাষ্প হয়ে উড়ে না যায়।