১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভারত বিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী, কৃষক বিরোধী কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ট্রাক্টর রেলি

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আজ ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে সাড়া ভারতবর্ষ জুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দেশের কৃষকরা পথে নেমেছে। পুঁজিপতিদের হাতে ভারতীয় কৃষি ক্ষেত্রকে তুলে দিতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতীয় কৃষি ও কৃষক দলের স্বার্থে পথে নামল বীরভূম জেলার মুরারই থানার প্রান্তিক এলাকার কৃষক ও মুরার‌ই ট্রাক্টর ইউনিয়ন।300 টি ট্রাক্টর ও ট্যাবলো নিয়ে মুরারই থানা ও পাইকর থানার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে সর্বনাশা কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও তার পরে সকাল নটার সময় মুরার‌ই নতুন বাজার থেকে এই র্যালি শুরু হয়। র্যালির পক্ষে থাকা ইমতিয়াজ ইসলাম ও রেজাউল বাবুদের বক্তব্য কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা গণ আন্দোলন চালিয়ে যাব। Iমিছিলে পা মিলিয়ে ছিলেন বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক সামিরুল ইসলাম, প্রদীপ ভট্টাচার্য, সনত দাস, নাসিবুল সেখ।

আন্দোলনে যোগদানকারী রজত দাস নামে এক কৃষক জানান পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি আর নয় অন্যায় কর্মসূচি চালু করেছে, তারা নাকি মানুষকে ন্যায় পাইয়ে দিচ্ছে কথাটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।আপনারা যদি এই নীতিতে বিশ্বাসী থাকেন তবে আপনাদের কাছে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীকে বলুন কৃষকদেরকে ন্যায় পাইয়ে দিতে। কৃষি আইন যদি সত্যিই উপকারী হতো মানুষ দুহাত তুলে মেনে নিত কিন্তু এই আইন কর্পোরেটদের আরো সম্পদশালী করে তুলবে, ভারতীয় কৃষি ও কৃষকদের সমূহ ক্ষতি হবে এই আইনে। এই আইন ভারতীয় সংবিধান বিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভারত বিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী, কৃষক বিরোধী কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ট্রাক্টর রেলি

আপডেট : ২৬ জানুয়ারী ২০২১, মঙ্গলবার

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আজ ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে সাড়া ভারতবর্ষ জুড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দেশের কৃষকরা পথে নেমেছে। পুঁজিপতিদের হাতে ভারতীয় কৃষি ক্ষেত্রকে তুলে দিতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতীয় কৃষি ও কৃষক দলের স্বার্থে পথে নামল বীরভূম জেলার মুরারই থানার প্রান্তিক এলাকার কৃষক ও মুরার‌ই ট্রাক্টর ইউনিয়ন।300 টি ট্রাক্টর ও ট্যাবলো নিয়ে মুরারই থানা ও পাইকর থানার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে সর্বনাশা কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও তার পরে সকাল নটার সময় মুরার‌ই নতুন বাজার থেকে এই র্যালি শুরু হয়। র্যালির পক্ষে থাকা ইমতিয়াজ ইসলাম ও রেজাউল বাবুদের বক্তব্য কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা গণ আন্দোলন চালিয়ে যাব। Iমিছিলে পা মিলিয়ে ছিলেন বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক সামিরুল ইসলাম, প্রদীপ ভট্টাচার্য, সনত দাস, নাসিবুল সেখ।

আন্দোলনে যোগদানকারী রজত দাস নামে এক কৃষক জানান পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি আর নয় অন্যায় কর্মসূচি চালু করেছে, তারা নাকি মানুষকে ন্যায় পাইয়ে দিচ্ছে কথাটা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।আপনারা যদি এই নীতিতে বিশ্বাসী থাকেন তবে আপনাদের কাছে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীকে বলুন কৃষকদেরকে ন্যায় পাইয়ে দিতে। কৃষি আইন যদি সত্যিই উপকারী হতো মানুষ দুহাত তুলে মেনে নিত কিন্তু এই আইন কর্পোরেটদের আরো সম্পদশালী করে তুলবে, ভারতীয় কৃষি ও কৃষকদের সমূহ ক্ষতি হবে এই আইনে। এই আইন ভারতীয় সংবিধান বিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী।