২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

গাড়িতে শর্ট সার্কিট,মৃত্যু ১০ পূর্ণাথির

নিজস্ব সংবাদদাতা: গাড়িতে শর্ট সার্কিট হয়ে মৃত্যু ১০ জন পূর্নাথির, এই দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায়। কুচবিহারের শীতলকুচি থেকে পিকআপ ভ্যান করে ১৫ থেকে ২০ জন পূর্ণাথি জল্পেশ এর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।

চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু পার হবার পর কোন কারনে জেনারেটর থেকে শর্ট সার্কিট হয়ে যায় গোটা গাড়ি, অসুস্থ হয়ে পড়েন পূর্ণাথীরা। তখন গাড়ি চালক তাদের দ্রুত চ্যাংড়াবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক দশ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ৬ জনকে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী সভার এক সদস্যকে ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় গিয়ে মৃত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ ও দিয়েছেন । বিকেলের মধ্যেই আসছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস । তবে এর পরেও যে পুলিশ প্রশাসনের টনক নড়েনি সোমবার সকালের দৃশ্য তারই প্রমান বলে মনে করছেন অনেকেই । এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য পূর্ব নির্ধারিত সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল করেছে জেলা সিপিএম ।

দুর্ঘটনার পরেও প্রকাশ্যে গাড়িতে জেনারেটর চালিয়ে ডিজে বাজিয়ে ঘুরে বেড়ানো প্রসঙ্গে জেলা সিপিএমের অন্যতম সদস্য পীযুষ মিশ্র ক্ষোভ এবং দুঃখের সঙ্গে বলেন , বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা করলে নিজের সন্তানকে হারাতে হবে সাধারণ মানুষকে , কারণ এত বড় ঘটনা ঘটার পরেও একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে একই ঘটনা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গাড়িতে শর্ট সার্কিট,মৃত্যু ১০ পূর্ণাথির

আপডেট : ১ অগাস্ট ২০২২, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: গাড়িতে শর্ট সার্কিট হয়ে মৃত্যু ১০ জন পূর্নাথির, এই দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায়। কুচবিহারের শীতলকুচি থেকে পিকআপ ভ্যান করে ১৫ থেকে ২০ জন পূর্ণাথি জল্পেশ এর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।

চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু পার হবার পর কোন কারনে জেনারেটর থেকে শর্ট সার্কিট হয়ে যায় গোটা গাড়ি, অসুস্থ হয়ে পড়েন পূর্ণাথীরা। তখন গাড়ি চালক তাদের দ্রুত চ্যাংড়াবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক দশ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ৬ জনকে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী সভার এক সদস্যকে ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় গিয়ে মৃত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ ও দিয়েছেন । বিকেলের মধ্যেই আসছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস । তবে এর পরেও যে পুলিশ প্রশাসনের টনক নড়েনি সোমবার সকালের দৃশ্য তারই প্রমান বলে মনে করছেন অনেকেই । এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য পূর্ব নির্ধারিত সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল করেছে জেলা সিপিএম ।

দুর্ঘটনার পরেও প্রকাশ্যে গাড়িতে জেনারেটর চালিয়ে ডিজে বাজিয়ে ঘুরে বেড়ানো প্রসঙ্গে জেলা সিপিএমের অন্যতম সদস্য পীযুষ মিশ্র ক্ষোভ এবং দুঃখের সঙ্গে বলেন , বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা করলে নিজের সন্তানকে হারাতে হবে সাধারণ মানুষকে , কারণ এত বড় ঘটনা ঘটার পরেও একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে একই ঘটনা।