২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সিগনাল বাতি না থাকায় সমস্যায় গঙ্গারামপুরের আবালবৃদ্ধবনিতা

পল মৈত্র দক্ষিণ দিনাজপুরঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ব্যস্ততমশহর ও প্রাণকেন্দ্র গঙ্গারামপুর। এই শহরের চৌমাথা মোড় বা হাইরোডে বহুল টাকা ব্যয়ে একটি সুন্দর ফোয়ারা বসানো হয়েছে যার ফলে সেখানকার ট্রাফিক সিগন্যালের বাতি গুলো খুলে ফেলা হয় প্রায় এক বছরেরও বেশী হলো। কিন্তু এই সিগন্যাল বাতি না থাকার ফলে সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রী সহ পথচারীরা তার পাশাপাশি অবাঞ্চিত টোটোদের দৌরাত্ম্যে নাজেহাল সকলে, সিগনাল ব্যবস্থা না থাকার ফলে চৌমাথা মোড় থেকে শিববাড়ি রোড ও তপন রোডে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে বাড়ছে ছোট বড় দূর্ঘটানা। মোড়ের মাথায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার্সরা হাতের ইশারায় সিগনালিং ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে করতে হিমশিম খাচ্ছেন। আর নিত্য যানজটের ফলে স্কুল, অফিস ও নানান সরকারী কর্মচারী সহ কলেজ পড়ুয়ারাও যানজটের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই মোড়ের মাথায় অজস্র দোকান রয়েছে আর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেই সব দোকানগুলিতে প্রচুর ভীড় হয়, দোকানদারেরা জানান, প্রতিনিয়ত জীবন হাতে নিয়ে ব্যবসা করছেন কারন এই সিগন্যাল বাতি না থাকার জন্য যখন তখন বড় দূর্ঘটনি ঘটতে পারে আর সেই ভয় তাদের চোখে মুখে স্পষ্ট। সর্বশেষে গঙ্গারামপুর শহরের আবালবৃদ্ধবনিতা ও সমাজের বিভিন্নস্তরের নাগরিকরা অতিসত্বর সিগনাল বাতি বসিয়ে সমস্যা সমাধানের দাবী তুলেছেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিগনাল বাতি না থাকায় সমস্যায় গঙ্গারামপুরের আবালবৃদ্ধবনিতা

আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

পল মৈত্র দক্ষিণ দিনাজপুরঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ব্যস্ততমশহর ও প্রাণকেন্দ্র গঙ্গারামপুর। এই শহরের চৌমাথা মোড় বা হাইরোডে বহুল টাকা ব্যয়ে একটি সুন্দর ফোয়ারা বসানো হয়েছে যার ফলে সেখানকার ট্রাফিক সিগন্যালের বাতি গুলো খুলে ফেলা হয় প্রায় এক বছরেরও বেশী হলো। কিন্তু এই সিগন্যাল বাতি না থাকার ফলে সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রী সহ পথচারীরা তার পাশাপাশি অবাঞ্চিত টোটোদের দৌরাত্ম্যে নাজেহাল সকলে, সিগনাল ব্যবস্থা না থাকার ফলে চৌমাথা মোড় থেকে শিববাড়ি রোড ও তপন রোডে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে বাড়ছে ছোট বড় দূর্ঘটানা। মোড়ের মাথায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার্সরা হাতের ইশারায় সিগনালিং ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে করতে হিমশিম খাচ্ছেন। আর নিত্য যানজটের ফলে স্কুল, অফিস ও নানান সরকারী কর্মচারী সহ কলেজ পড়ুয়ারাও যানজটের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই মোড়ের মাথায় অজস্র দোকান রয়েছে আর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেই সব দোকানগুলিতে প্রচুর ভীড় হয়, দোকানদারেরা জানান, প্রতিনিয়ত জীবন হাতে নিয়ে ব্যবসা করছেন কারন এই সিগন্যাল বাতি না থাকার জন্য যখন তখন বড় দূর্ঘটনি ঘটতে পারে আর সেই ভয় তাদের চোখে মুখে স্পষ্ট। সর্বশেষে গঙ্গারামপুর শহরের আবালবৃদ্ধবনিতা ও সমাজের বিভিন্নস্তরের নাগরিকরা অতিসত্বর সিগনাল বাতি বসিয়ে সমস্যা সমাধানের দাবী তুলেছেন।