২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

আজ হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎসহ গোটা দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

নিজস্ব সংবাদদাতা : আজ হাওড়া জেলার  সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটার। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ। আজ হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎসহ গোটা দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। আজ হাওড়ায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ২২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ৪৩ মিনিটে। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলৃবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে (Weather Forecast) জানানো হয়েছে, হাওড়ায় থাকবে মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকতে পারে ৯৩ শতাংশ। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৪ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। কাল সকালে হাওড়ায় সূর্যোদয় হবে ৫টা ২২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ৪২ মিনিটে।পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা হল হাওড়া। এই জেলায় দু’টি মহকুমা, হাওড়া সদর ও উলুবেড়িয়া। কলকাতার (Kolkata) পাশের শহর হল হাওড়া। দুই শহরের মাঝে গঙ্গা। হাওড়া জেলার পূর্বে কলকাতা, উত্তরে হুগলি জেলা, দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। প্রাচীন জনবসতি হাওড়া শহরের ইতিহাস সুপ্রাচীন। একসময় বাণিজ্য নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল হাওড়া। পরে এই শহর শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।হাওড়ার অন্তম আকর্ষণ হল বেলুড় মঠ (Belur Math), শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন (Shibpur Botanical Garden), যা এখন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যান হিসেবে পরিচিত। এছাড়া হাওড়া ব্রিজ, হাওড়া স্টেশন দ্বিতীয় হুগলি সেতু, সাঁতরাগাছি ঝিলও হাওড়ার আকর্ষণ। হাওড়া জেলার প্রধান নদী গঙ্গা। এছাড়া রূপনারায়ণও হাওড়ার গ্রামীণ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী। এই শহরে রয়েছে আরও অনেক ঐতিহ্যশালী জায়গা। আপনার নিজের এলাকার আবহাওয়া সম্পর্কে জেনে রাখলে তাতে আপনারাই উপকৃত হবেন।

কলকাতার পাশের শহর হওয়ায় হাওড়ায় গঙ্গার ওপারের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে। আবার এই জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আজ হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎসহ গোটা দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : আজ হাওড়া জেলার  সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটার। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ। আজ হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎসহ গোটা দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। আজ হাওড়ায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ২২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ৪৩ মিনিটে। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলৃবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে (Weather Forecast) জানানো হয়েছে, হাওড়ায় থাকবে মেঘলা আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকতে পারে ৯৩ শতাংশ। দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ১৪ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। কাল সকালে হাওড়ায় সূর্যোদয় হবে ৫টা ২২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ৪২ মিনিটে।পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা হল হাওড়া। এই জেলায় দু’টি মহকুমা, হাওড়া সদর ও উলুবেড়িয়া। কলকাতার (Kolkata) পাশের শহর হল হাওড়া। দুই শহরের মাঝে গঙ্গা। হাওড়া জেলার পূর্বে কলকাতা, উত্তরে হুগলি জেলা, দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। প্রাচীন জনবসতি হাওড়া শহরের ইতিহাস সুপ্রাচীন। একসময় বাণিজ্য নগরী হিসেবে পরিচিত ছিল হাওড়া। পরে এই শহর শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।হাওড়ার অন্তম আকর্ষণ হল বেলুড় মঠ (Belur Math), শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন (Shibpur Botanical Garden), যা এখন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যান হিসেবে পরিচিত। এছাড়া হাওড়া ব্রিজ, হাওড়া স্টেশন দ্বিতীয় হুগলি সেতু, সাঁতরাগাছি ঝিলও হাওড়ার আকর্ষণ। হাওড়া জেলার প্রধান নদী গঙ্গা। এছাড়া রূপনারায়ণও হাওড়ার গ্রামীণ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী। এই শহরে রয়েছে আরও অনেক ঐতিহ্যশালী জায়গা। আপনার নিজের এলাকার আবহাওয়া সম্পর্কে জেনে রাখলে তাতে আপনারাই উপকৃত হবেন।

কলকাতার পাশের শহর হওয়ায় হাওড়ায় গঙ্গার ওপারের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে। আবার এই জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের আবহাওয়ার প্রভাব পড়ে।