১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

ফের নদীভাঙন, আতঙ্ক পূর্ব বাসুদেবপুরে

আক্তারুল খান, শ্যামপুর: ফের নদীভাঙন হাওড়ার শ্যামপুরের পূর্ব বাসুদেবপুরে। শনিবার রাতে হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ে নদীবাঁধের একটি বড় অংশ হঠাৎ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। ঘটনায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং করে প্রশাসন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। দু’সপ্তাহ আগেই ওই এলাকায় বড়সড় ভাঙনে প্রায় ৭০ ফুট বাঁধ ও রাস্তার অংশ নদীতে তলিয়ে গিয়েছিল। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের খাঁচায় ইট ভরে নদীর পাড়ে ফেলার কাজ শুরু হয়। সেই কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফের বাঁধের একটি অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর ‘ডিপ চ্যানেল’ও ক্রমশ পশ্চিম পাড়ের দিকে সরে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে পশ্চিম পাড় থেকে ডিপ চ্যানেলের দূরত্ব ছিল প্রায় ৫৫০ ফুট। বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৩০ ফুটে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে বাঁধের উপর স্রোতের চাপ বাড়ছে।এলাকাবাসীর আরও দাবি, পূর্ব পাড়ে চর পড়ায় বড় জাহাজগুলি পশ্চিম পাড় ঘেঁষে চলাচল করছে। জাহাজের ঢেউয়ের ধাক্কাতেও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীতে ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও দাবি তাঁদের।২০২২ সালেও এই এলাকায় প্রায় ১৫০ মিটার নদীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন হয়েছিল। পরে সেচ দপ্তর তা মেরামত করে। কাছাকাছি এলাকায় ফের ভাঙন শুরু হওয়ায় নতুন করে চিন্তায় নদীপাড়ের মানুষ

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের নদীভাঙন, আতঙ্ক পূর্ব বাসুদেবপুরে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
আক্তারুল খান, শ্যামপুর: ফের নদীভাঙন হাওড়ার শ্যামপুরের পূর্ব বাসুদেবপুরে। শনিবার রাতে হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ে নদীবাঁধের একটি বড় অংশ হঠাৎ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। ঘটনায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং করে প্রশাসন। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। দু’সপ্তাহ আগেই ওই এলাকায় বড়সড় ভাঙনে প্রায় ৭০ ফুট বাঁধ ও রাস্তার অংশ নদীতে তলিয়ে গিয়েছিল। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের খাঁচায় ইট ভরে নদীর পাড়ে ফেলার কাজ শুরু হয়। সেই কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফের বাঁধের একটি অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর ‘ডিপ চ্যানেল’ও ক্রমশ পশ্চিম পাড়ের দিকে সরে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে পশ্চিম পাড় থেকে ডিপ চ্যানেলের দূরত্ব ছিল প্রায় ৫৫০ ফুট। বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৩০ ফুটে দাঁড়িয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে বাঁধের উপর স্রোতের চাপ বাড়ছে।এলাকাবাসীর আরও দাবি, পূর্ব পাড়ে চর পড়ায় বড় জাহাজগুলি পশ্চিম পাড় ঘেঁষে চলাচল করছে। জাহাজের ঢেউয়ের ধাক্কাতেও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীতে ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলেও দাবি তাঁদের।২০২২ সালেও এই এলাকায় প্রায় ১৫০ মিটার নদীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন হয়েছিল। পরে সেচ দপ্তর তা মেরামত করে। কাছাকাছি এলাকায় ফের ভাঙন শুরু হওয়ায় নতুন করে চিন্তায় নদীপাড়ের মানুষ