মালদা: গঙ্গার জল বাড়ায় ভূতনির পাশাপাশি এবার বানভাসি কালিয়াচক-৩ ব্লকের বৈষ্ণবনগর এলাকার নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ গ্রাম। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লকের প্রায় ছ’টি অঞ্চলের ২০০টি গ্রাম জলমগ্ন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পারদেওনাপুর ও শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তার উপর দিয়ে বইছে জল, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রায় ১৫-২০ দিন ধরে জলবন্দি বহু মানুষ। কার্যত প্রায় দু’লক্ষ মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা।
এই পরিস্থিতিতে বানভাসি এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বৈষ্ণবনগরের বিধায়ক রাজু কর্মকার, দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী, কালিয়াচক-৩ ব্লকের বিডিও, বৈষ্ণবনগর থানার আইসি এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা।
নৌকায় করে যাওয়ার সময় জুয়েল মুর্মু সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে জলমগ্ন এলাকার পরিস্থিতি ও মানচিত্র নিয়ে আলোচনা করেন। পরে নৌকা থেকে নেমে বানভাসি বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
মন্ত্রী জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় সরকারি নৌকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গতদের জন্য খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধায়ক রাজু কর্মকার বলেন, মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যা সমাধানের সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।
নতুন গতি 





























