১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৪ রোহিঙ্গা

নতুন গতি প্রতিবেদন, উত্তর দিনাজপুর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তিন নাবালিকা সহ ৪ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় কাটিহার রেল স্টেশন এলাকায়। ঘটনাটি ঘটে গত রবিবারে। সন্ধ্যা নাগাদ ১২৫০৫ নর্থ ইস্ট কামাখ্যা-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালিয়ে আটক করা হয় তাদের। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি মোবাইল ফোন, ২২০ ভারতীয় রুপি এবং ১০৯০ বাংলাদেশি টাকা।
জানা গিয়েছে, ধৃত মূল অভিযুক্ত মিয়ানমারের মোগদা সিতা পাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ নূর আলম। ছোটবেলায় অভিভাবকদের সঙ্গে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে সে থাকত জম্মুর রিফিউজি ক্যাম্পে। তবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার রিফিউজি কার্ড বাতিল হওয়ার পর সে বাংলাদেশি এজেন্ট মহম্মদ ইয়াসমিনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যুক্ত হয় ভারতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের অবৈধ কারবারে।
তদন্ত করে জানা গিয়েছে, নূর আলম ওই তিন নাবালিকাকে কামাখ্যা থেকে জম্মু পৌঁছে দেওয়ার চুক্তি নিয়েছিল। নবালিকাগুলি মূলত মিয়ানমারের ফরিয়াবাজারের বাসিন্দা হলেও তারা এতদিন ছিল বাংলাদেশের কক্সবাজারের কুতুপালং রিফিউজি ক্যাম্পেই। সেখান থেকে দালালের সাহায্যে সীমান্ত পেরিয়ে তারা দিল্লি হয়ে জম্মুর দিকে যাচ্ছিল জেনারেল টিকিট কেটে। তবে ভারতে প্রবেশ বা অবস্থানের সপক্ষে কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ বা বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেনি তারা।
রবিবার রাতেই কাটিহার আরপিএফের তরফ থেকে তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে কাটিহার জিআরপির হাতে। পাশাপাশি মামলা রুজু করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ধারায়। কী কারণ বা কী উদ্দেশ্যে তাদের ভারতে প্রবেশ, তা জানতে জোরকদমে জেরা করা হচ্ছে। সোমবার নূর আলমকে কাটিহার রেল আদালত দুই সপ্তাহের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে তিন নাবালিকাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হেফাজতে সুরক্ষিত হোমে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ৪ রোহিঙ্গা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, উত্তর দিনাজপুর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তিন নাবালিকা সহ ৪ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় কাটিহার রেল স্টেশন এলাকায়। ঘটনাটি ঘটে গত রবিবারে। সন্ধ্যা নাগাদ ১২৫০৫ নর্থ ইস্ট কামাখ্যা-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালিয়ে আটক করা হয় তাদের। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি মোবাইল ফোন, ২২০ ভারতীয় রুপি এবং ১০৯০ বাংলাদেশি টাকা।
জানা গিয়েছে, ধৃত মূল অভিযুক্ত মিয়ানমারের মোগদা সিতা পাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ নূর আলম। ছোটবেলায় অভিভাবকদের সঙ্গে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে সে থাকত জম্মুর রিফিউজি ক্যাম্পে। তবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার রিফিউজি কার্ড বাতিল হওয়ার পর সে বাংলাদেশি এজেন্ট মহম্মদ ইয়াসমিনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যুক্ত হয় ভারতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের অবৈধ কারবারে।
তদন্ত করে জানা গিয়েছে, নূর আলম ওই তিন নাবালিকাকে কামাখ্যা থেকে জম্মু পৌঁছে দেওয়ার চুক্তি নিয়েছিল। নবালিকাগুলি মূলত মিয়ানমারের ফরিয়াবাজারের বাসিন্দা হলেও তারা এতদিন ছিল বাংলাদেশের কক্সবাজারের কুতুপালং রিফিউজি ক্যাম্পেই। সেখান থেকে দালালের সাহায্যে সীমান্ত পেরিয়ে তারা দিল্লি হয়ে জম্মুর দিকে যাচ্ছিল জেনারেল টিকিট কেটে। তবে ভারতে প্রবেশ বা অবস্থানের সপক্ষে কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ বা বৈধ নথিপত্র দেখাতে পারেনি তারা।
রবিবার রাতেই কাটিহার আরপিএফের তরফ থেকে তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে কাটিহার জিআরপির হাতে। পাশাপাশি মামলা রুজু করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ধারায়। কী কারণ বা কী উদ্দেশ্যে তাদের ভারতে প্রবেশ, তা জানতে জোরকদমে জেরা করা হচ্ছে। সোমবার নূর আলমকে কাটিহার রেল আদালত দুই সপ্তাহের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে তিন নাবালিকাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হেফাজতে সুরক্ষিত হোমে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।