১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

নাকচোড়া নদীর বাঁধে ভাঙন, আতঙ্ক রায়দীঘিতে

গোপাল শীল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দীঘির নন্দকুমারপুর পঞ্চায়েতের মহাব্বতনগর-কৈলাসপুর ও হরিণটানা বাজার সংলগ্ন এলাকায় নাকচোড়া নদীর মাটির বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল প্রায় ৪টে নাগাদ বাঁধের একটি অংশ ভেঙে নদীর জল গ্রামে ঢোকার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ভাঙনের জেরে জলের স্রোতে দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়ে অন্ধকার নেমে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মথুরাপুর-২ ব্লক প্রশাসন ও সেচ দফতরের আধিকারিকরা। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই জরুরি ভিত্তিতে জেসিবি দিয়ে মাটি ফেলে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু হয়। প্রশাসনের দাবি, আজ সকালের মধ্যেই কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে এবং জল বেরোনোর পথ বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া বৈদ্যুতিক খুঁটি মেরামতির কাজও চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ছয়-সাত বছর আগে এই এলাকায় ৫০০-৭০০ ফুট বাঁধে ভাঙন ধরার পর আইলা বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে তার প্রায় ২০০ ফুট দূরে ফের ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ না হলে ভবিষ্যতে নাকচোড়া নদীর ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে অবশ্য আপাতত স্বস্তিতে এলাকাবাসী।

প্রদীপের আলোয় মোদির জন্মদিন, সুন্দরবনেও সেবা কর্মসূচি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাকচোড়া নদীর বাঁধে ভাঙন, আতঙ্ক রায়দীঘিতে

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার
গোপাল শীল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দীঘির নন্দকুমারপুর পঞ্চায়েতের মহাব্বতনগর-কৈলাসপুর ও হরিণটানা বাজার সংলগ্ন এলাকায় নাকচোড়া নদীর মাটির বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল বিকেল প্রায় ৪টে নাগাদ বাঁধের একটি অংশ ভেঙে নদীর জল গ্রামে ঢোকার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ভাঙনের জেরে জলের স্রোতে দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে। ফলে এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়ে অন্ধকার নেমে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মথুরাপুর-২ ব্লক প্রশাসন ও সেচ দফতরের আধিকারিকরা। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই জরুরি ভিত্তিতে জেসিবি দিয়ে মাটি ফেলে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু হয়। প্রশাসনের দাবি, আজ সকালের মধ্যেই কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে এবং জল বেরোনোর পথ বন্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া বৈদ্যুতিক খুঁটি মেরামতির কাজও চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ছয়-সাত বছর আগে এই এলাকায় ৫০০-৭০০ ফুট বাঁধে ভাঙন ধরার পর আইলা বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে তার প্রায় ২০০ ফুট দূরে ফের ফাটল দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, স্থায়ী কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ না হলে ভবিষ্যতে নাকচোড়া নদীর ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে অবশ্য আপাতত স্বস্তিতে এলাকাবাসী।