১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

দিদি ও দিদি স্লোগানকে কটাক্ষ করে ‘দাদা ও দাদা’ স্লোগান তুলবেন তৃণমূল সাংসদরা

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: স্ট্র্যাটেজিতে সামান্য বদল আনছে তৃণমূল। আগামী ১৯ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন। ভরা সংসদ ভবনে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর তোলা- দিদি ও দিদি স্লোগানকে কটাক্ষ করে মোদি ও মোদি স্লোগান তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে কটাক্ষ করলে স্বাধিকার বঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে। তাতে বেকায়দায় পড়তে পারে দলের সাংসদরা। ভেবেচিন্তেই তৃণমূলের সিদ্ধান্ত বাদল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের ঢুকলে, সাংসদরা এবার ‘দাদা ও দাদা’ বলে স্লোগান তুলবেন। তাঁতের সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না।

মাস কয়েক আগে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার এর নিয়মিত আসতেন নরেন্দ্র মোদি। ভরা জনসভায় দাঁড়িয়ে ‘দিদি ও দিদি’ সুর করে বলাটা যেন তিনি স্টাইল স্টেটমেন্ট পরিণত করে ফেলেছিলেন। মানুষ অবশ্য এই কটাক্ষকে ভালোভাবে নেয়নি, তা বুঝিয়ে দিয়েছে ভোটের ফল। তাৎক্ষণিক হাততালি পড়লেও, খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে পদ্ম শিবিরের রাঘববোয়ালদের। তবে এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল চাইছে প্রতিশোধ। বড় সংসদ ভবনে স্লোগান তলার ছক সেই জন্যই।

তৃণমূলের ওই সংসদের কথায়, “রাজনীতির ময়দানে নেমে সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ভুলে গিয়েছিলেন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতবর্ষের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা আক্রমণ করেছিলেন। জোকারের মতো রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে ‘দিদি ও দিদি’ স্লোগান তুলেছিলেন যা বাংলার মানুষ মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। এখন সংসদে দাঁড়িয়ে তার পাল্টা জবাব পেতেই হবে ওঁকে।”

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিদি ও দিদি স্লোগানকে কটাক্ষ করে ‘দাদা ও দাদা’ স্লোগান তুলবেন তৃণমূল সাংসদরা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: স্ট্র্যাটেজিতে সামান্য বদল আনছে তৃণমূল। আগামী ১৯ জুলাই থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন। ভরা সংসদ ভবনে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর তোলা- দিদি ও দিদি স্লোগানকে কটাক্ষ করে মোদি ও মোদি স্লোগান তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে কটাক্ষ করলে স্বাধিকার বঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে। তাতে বেকায়দায় পড়তে পারে দলের সাংসদরা। ভেবেচিন্তেই তৃণমূলের সিদ্ধান্ত বাদল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের ঢুকলে, সাংসদরা এবার ‘দাদা ও দাদা’ বলে স্লোগান তুলবেন। তাঁতের সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না।

মাস কয়েক আগে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার এর নিয়মিত আসতেন নরেন্দ্র মোদি। ভরা জনসভায় দাঁড়িয়ে ‘দিদি ও দিদি’ সুর করে বলাটা যেন তিনি স্টাইল স্টেটমেন্ট পরিণত করে ফেলেছিলেন। মানুষ অবশ্য এই কটাক্ষকে ভালোভাবে নেয়নি, তা বুঝিয়ে দিয়েছে ভোটের ফল। তাৎক্ষণিক হাততালি পড়লেও, খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে পদ্ম শিবিরের রাঘববোয়ালদের। তবে এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল চাইছে প্রতিশোধ। বড় সংসদ ভবনে স্লোগান তলার ছক সেই জন্যই।

তৃণমূলের ওই সংসদের কথায়, “রাজনীতির ময়দানে নেমে সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ভুলে গিয়েছিলেন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতবর্ষের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা আক্রমণ করেছিলেন। জোকারের মতো রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে ‘দিদি ও দিদি’ স্লোগান তুলেছিলেন যা বাংলার মানুষ মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। এখন সংসদে দাঁড়িয়ে তার পাল্টা জবাব পেতেই হবে ওঁকে।”