২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২

নিজস্ব সংবাদদাতা : বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২। এ বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২। এই উৎসব আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে মুর্শিদাবাদ ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করলেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব এবছর ষষ্ঠ বছরে পা দিল। প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়কে চিহ্নিত করে ও তার ওপর ভিত্তি করেই এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে এবছর অনেকগুলো বিষয়ের উপর এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।এবছরের বিশেষ আকর্ষণ মুদ্রা প্রদর্শনী। নবাবী আমলের মুদ্রা সহ বিভিন্ন মুদ্রা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে উৎসবে। পাশাপাশি রয়েছে ইতিহাস ভিত্তিক বইমেলার আয়োজন।এছাড়াও তথ্য চিত্রের মধ্যে দিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ১২৭ জন মনীষীর জীবন তুলে ধরা হয়েছে দর্শকদের সামনে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানো ও মানুষের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল মানুষকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করা।

বিদ্বজনের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে না বাঁচাতে পারলে কোনো জাতি উঠে দাঁড়াতে পারে না। মুর্শিদাবাদ জেলার একটা বড় অংশ ইতিহাস কেন্দ্রিক। স্বভাবতই পর্যটন মানচিত্রে যদি এই জেলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা যায় ও জেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলির যদি আরও বিকাশ ঘটানো যায় তাহলে মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। তবে বহরমপুর শহরে এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন হতেই ইতিহাস প্রেমীরা ভিড় করছেন জেলার ইতিহাস জানার আগ্রহে।

ই উৎসব আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে মুর্শিদাবাদ ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করলেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব এবছর ষষ্ঠ বছরে পা দিল। প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়কে চিহ্নিত করে ও তার ওপর ভিত্তি করেই এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে এবছর অনেকগুলো বিষয়ের উপর এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।এবছরের বিশেষ আকর্ষণ মুদ্রা প্রদর্শনী। নবাবী আমলের মুদ্রা সহ বিভিন্ন মুদ্রা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে উৎসবে। পাশাপাশি রয়েছে ইতিহাস ভিত্তিক বইমেলার আয়োজন।এছাড়াও তথ্য চিত্রের মধ্যে দিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ১২৭ জন মনীষীর জীবন তুলে ধরা হয়েছে দর্শকদের সামনে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানো ও মানুষের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল মানুষকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করা।

 

বিদ্বজনের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে না বাঁচাতে পারলে কোনো জাতি উঠে দাঁড়াতে পারে না। মুর্শিদাবাদ জেলার একটা বড় অংশ ইতিহাস কেন্দ্রিক। স্বভাবতই পর্যটন মানচিত্রে যদি এই জেলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা যায় ও জেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলির যদি আরও বিকাশ ঘটানো যায় তাহলে মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। তবে বহরমপুর শহরে এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন হতেই ইতিহাস প্রেমীরা ভিড় করছেন জেলার ইতিহাস জানার আগ্রহে।

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২

আপডেট : ৭ এপ্রিল ২০২২, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২। এ বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে শুরু হল দুইদিন ব্যাপি মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব ২০২২। এই উৎসব আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে মুর্শিদাবাদ ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করলেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব এবছর ষষ্ঠ বছরে পা দিল। প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়কে চিহ্নিত করে ও তার ওপর ভিত্তি করেই এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে এবছর অনেকগুলো বিষয়ের উপর এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।এবছরের বিশেষ আকর্ষণ মুদ্রা প্রদর্শনী। নবাবী আমলের মুদ্রা সহ বিভিন্ন মুদ্রা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে উৎসবে। পাশাপাশি রয়েছে ইতিহাস ভিত্তিক বইমেলার আয়োজন।এছাড়াও তথ্য চিত্রের মধ্যে দিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ১২৭ জন মনীষীর জীবন তুলে ধরা হয়েছে দর্শকদের সামনে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানো ও মানুষের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল মানুষকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করা।

বিদ্বজনের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে না বাঁচাতে পারলে কোনো জাতি উঠে দাঁড়াতে পারে না। মুর্শিদাবাদ জেলার একটা বড় অংশ ইতিহাস কেন্দ্রিক। স্বভাবতই পর্যটন মানচিত্রে যদি এই জেলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা যায় ও জেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলির যদি আরও বিকাশ ঘটানো যায় তাহলে মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। তবে বহরমপুর শহরে এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন হতেই ইতিহাস প্রেমীরা ভিড় করছেন জেলার ইতিহাস জানার আগ্রহে।

ই উৎসব আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে মুর্শিদাবাদ ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করলেন মুর্শিদাবাদ জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী। মুর্শিদাবাদ ইতিহাস উৎসব এবছর ষষ্ঠ বছরে পা দিল। প্রতি বছরই বিভিন্ন বিষয়কে চিহ্নিত করে ও তার ওপর ভিত্তি করেই এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে এবছর অনেকগুলো বিষয়ের উপর এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।এবছরের বিশেষ আকর্ষণ মুদ্রা প্রদর্শনী। নবাবী আমলের মুদ্রা সহ বিভিন্ন মুদ্রা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে উৎসবে। পাশাপাশি রয়েছে ইতিহাস ভিত্তিক বইমেলার আয়োজন।এছাড়াও তথ্য চিত্রের মধ্যে দিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ১২৭ জন মনীষীর জীবন তুলে ধরা হয়েছে দর্শকদের সামনে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানো ও মানুষের মধ্যে ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল মানুষকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করা।

 

বিদ্বজনের মতে ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে না বাঁচাতে পারলে কোনো জাতি উঠে দাঁড়াতে পারে না। মুর্শিদাবাদ জেলার একটা বড় অংশ ইতিহাস কেন্দ্রিক। স্বভাবতই পর্যটন মানচিত্রে যদি এই জেলার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা যায় ও জেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলির যদি আরও বিকাশ ঘটানো যায় তাহলে মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। তবে বহরমপুর শহরে এই ইতিহাস উৎসবের আয়োজন হতেই ইতিহাস প্রেমীরা ভিড় করছেন জেলার ইতিহাস জানার আগ্রহে।