২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

শিশুদের ডাইরিয়া থেকে মুক্তি দিতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার।রোটা ভাইরাসের টীকা দেওয়া চালু

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পাঁচ বছরের নীচের শিশুরা অনেক সময় ডাইরিয়া রোগের শিকার হয় রোটা ভাইরাসের দ্বারা সংক্রামিত হয়ে। এবার শিশুদের ডাইরিয়া থেকে মুক্তি দিতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সমস্ত রাজ্য সরকার চালিত মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাইরিয়া থেকে শিশুদের বাঁচাতে রোটা ভাইরাসের টীকা দেওয়া চালু করল।

এই রোগ থেকে শিশুদের বাঁচাতে কিভাবে টীকা দেওয়া হবে, তার বিষয়ে একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এই পরিকল্পনামাফিক টীকাকরণ শুরু হয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী এই টীকাকরণ কর্মসুচীর সূচনা করেন। একবার মাত্র ব্যবহার করা যায় এমন সিরিঞ্জের মাধ্যমে এই টীকা দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য কর্মীরা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই টীকাকরণ চালাবে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ইতিমধ্যেই ৮০,২৯৮ জন স্বাস্থ্য কর্মীকে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতি শিশুকে তার ষষ্ঠ, দশম ও চতুর্দশ সপ্তাহে তিনটি টীকা দেওয়া হবে।

দপ্তরের লক্ষ্য ১৪.৬৫ লক্ষ শিশুকে টীকা দেওয়া। ২০১৮-১৯ সালের এইচএমআইএসের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলার ৯৫ শতাংশ টীকাকরণ সম্পন্ন।

পাঁচ বছরের নীচের শিশুদের মৃত্যুর ১৫ শতাংশ হয় ডাইরিয়ার ফলে। ভারতে মোট ডাইরিয়া আক্রান্তের মধ্যে ৪০ শতাংশ মানুষ রোটা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন। প্রতি বছর ডাইরিয়া আক্রান্ত হয়ে ৭৮ হাজার মানুষ মারা যান এর মধ্যে ৫৯ হাজার দুই বছর বয়সের কম শিশু।

রোটা সংক্রমণ ওষুধের মাধ্যমে আটকানো যায়না। এই টীকাকরণের মাধ্যমে ৭৪ শতাংশ ডাইরিয়া আক্রমণ আটকানো সম্ভব।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিশুদের ডাইরিয়া থেকে মুক্তি দিতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার।রোটা ভাইরাসের টীকা দেওয়া চালু

আপডেট : ২৪ অগাস্ট ২০১৯, শনিবার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পাঁচ বছরের নীচের শিশুরা অনেক সময় ডাইরিয়া রোগের শিকার হয় রোটা ভাইরাসের দ্বারা সংক্রামিত হয়ে। এবার শিশুদের ডাইরিয়া থেকে মুক্তি দিতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সমস্ত রাজ্য সরকার চালিত মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাইরিয়া থেকে শিশুদের বাঁচাতে রোটা ভাইরাসের টীকা দেওয়া চালু করল।

এই রোগ থেকে শিশুদের বাঁচাতে কিভাবে টীকা দেওয়া হবে, তার বিষয়ে একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এই পরিকল্পনামাফিক টীকাকরণ শুরু হয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী এই টীকাকরণ কর্মসুচীর সূচনা করেন। একবার মাত্র ব্যবহার করা যায় এমন সিরিঞ্জের মাধ্যমে এই টীকা দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য কর্মীরা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই টীকাকরণ চালাবে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ইতিমধ্যেই ৮০,২৯৮ জন স্বাস্থ্য কর্মীকে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতি শিশুকে তার ষষ্ঠ, দশম ও চতুর্দশ সপ্তাহে তিনটি টীকা দেওয়া হবে।

দপ্তরের লক্ষ্য ১৪.৬৫ লক্ষ শিশুকে টীকা দেওয়া। ২০১৮-১৯ সালের এইচএমআইএসের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলার ৯৫ শতাংশ টীকাকরণ সম্পন্ন।

পাঁচ বছরের নীচের শিশুদের মৃত্যুর ১৫ শতাংশ হয় ডাইরিয়ার ফলে। ভারতে মোট ডাইরিয়া আক্রান্তের মধ্যে ৪০ শতাংশ মানুষ রোটা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন। প্রতি বছর ডাইরিয়া আক্রান্ত হয়ে ৭৮ হাজার মানুষ মারা যান এর মধ্যে ৫৯ হাজার দুই বছর বয়সের কম শিশু।

রোটা সংক্রমণ ওষুধের মাধ্যমে আটকানো যায়না। এই টীকাকরণের মাধ্যমে ৭৪ শতাংশ ডাইরিয়া আক্রমণ আটকানো সম্ভব।