২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রান্তিক নারীদের মূলস্রোতে ফিরতে পথ দেখাচ্ছে মুক্তির আলো

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মুক্তির আলো ক্যাফেটেরিয়া উদ্বোধন হয় বিধাননগরের বিকাশ ভবনে। এই ক্যাফেটেরিয়া সেইসব মহিলা চালাবেন যারা যৌনকর্মী ছিলেন এবং মূল স্রোতে ফিরতে চায় বা অনেকে যারা একসময়ে পাচার হয়ে বর্তমানে উদ্ধার হয়েছেন। এই ক্যাফেটেরিয়া চালাবেন তিনজন মহিলা। এর আগেও মুন্সীগঞ্জ, আলিপুর আদালত চত্ত্বর, আলিপুর চিড়িয়াখানায় এই ক্যাফেটেরিয়া খোলা হয়েছে যা সাফল্যের সঙ্গে চলছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা অনুভব করেছি অনেক রূপান্তরকামী আছেন যাদের সুদূর কলকাতায় আস্তে হয় তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রতি জেলায় এই অফিস খোলার।

প্রান্তিক অঞ্চলের মহিলা যাদের যৌন কর্মী হতে বাধ্য করা হয়েছিল, তাঁদের সহায়তায় মুক্তির আলো প্রকল্প চালু হয় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

এই প্রকল্পে ঐ মহিলাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যেমন ক্যাফেটেরিয়া ব্যবস্থাপনা, ব্লক প্রিন্ট, মশলা গুঁড়ো করা ইত্যাদি।

বিভিন্ন পর্যায়ে ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রান্তিক নারীদের মূলস্রোতে ফিরতে পথ দেখাচ্ছে মুক্তির আলো

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০১৯, শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মুক্তির আলো ক্যাফেটেরিয়া উদ্বোধন হয় বিধাননগরের বিকাশ ভবনে। এই ক্যাফেটেরিয়া সেইসব মহিলা চালাবেন যারা যৌনকর্মী ছিলেন এবং মূল স্রোতে ফিরতে চায় বা অনেকে যারা একসময়ে পাচার হয়ে বর্তমানে উদ্ধার হয়েছেন। এই ক্যাফেটেরিয়া চালাবেন তিনজন মহিলা। এর আগেও মুন্সীগঞ্জ, আলিপুর আদালত চত্ত্বর, আলিপুর চিড়িয়াখানায় এই ক্যাফেটেরিয়া খোলা হয়েছে যা সাফল্যের সঙ্গে চলছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা অনুভব করেছি অনেক রূপান্তরকামী আছেন যাদের সুদূর কলকাতায় আস্তে হয় তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রতি জেলায় এই অফিস খোলার।

প্রান্তিক অঞ্চলের মহিলা যাদের যৌন কর্মী হতে বাধ্য করা হয়েছিল, তাঁদের সহায়তায় মুক্তির আলো প্রকল্প চালু হয় ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

এই প্রকল্পে ঐ মহিলাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যেমন ক্যাফেটেরিয়া ব্যবস্থাপনা, ব্লক প্রিন্ট, মশলা গুঁড়ো করা ইত্যাদি।

বিভিন্ন পর্যায়ে ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে।